নীলফামারী। । প্রয়োজনের তুলনায় জেলায় এখোনো ৫১৫৭ মেট্রিক টন মাছের ঘাটতি রয়েছে। যেখানে চাহিদা ৩৬ হাজার ১৫২ মেট্রিক টনের বিপরীতে উৎপাদন হচ্ছে ৩০ হাজার ৯৯৫মেট্রিক টন মাছ।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তার দফতর বলছে ঘাটতি পূরণে বিল নার্সারী কার্যক্রম, পেনে মাছ চাষ, উন্মুক্ত জলাশয়ে পোনা অবমুক্তি, ধানক্ষেতে মাছ চাষ, গুচ্ছগ্রাম প্রকল্পের পুকুরে মাছ চাষ, খাচায় মাছ চাষ, মৎস্য অভয়াশ্রম রক্ষনাবেক্ষণ প্রভৃতি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
এরফলে জেলার উৎপাদনে প্রভাব ফেলবে।
পরিসংখ্যান বলছে জেলায় ২৯হাজার ৭২৭টি পুকুর রয়েছে। এসব পুকুরে ২১হাজার ৩১৮ মেট্রিক টন মাছ উৎপাদন হচ্ছে।
এসব পুকুর থেকে বর্তমানে উৎপাদিত ৩০হাজার ৯৯৫ মেট্রিক টনে সংযুক্ত হচ্ছে।
করোনা প্রার্দুভাবে এবারের মৎস্য সপ্তাহ ভিন্ন আবহে উৎযাপিত হচ্ছে নীলফামারীতে। আনুষ্ঠানিকতা না থাকলেও অভ্যন্তরীন ভাবে নানা কর্মসুচীতে সপ্তাহটি উদযাপন করছে মৎস্য বিভাগ।
জেলা মৎস্য বিভাগ সুত্র জানায়, ২১জুলাই থেকে শুরু হওয়া এবারের মৎস্য সপ্তাহ শেষ হবে ২৭জুলাই।
কর্মসুচীর মধ্যে রয়েছে মাইকিং ও ব্যানার ফেস্টুনের মাধ্যমে প্রচারণা চালানোর পাশাপাশি প্রামাণ্য চিত্র, মাছে রাসায়নিক প্রয়োগ বিরোধী অভিযান, ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা, মৎস্য চাষীদের পরামর্শ ও সেবা প্রদান, মাছের পোনা অবমুক্তকরণ, উপকরণ বিতরণ, হ্যাচারী মালিক ও উদ্দ্যোক্তাদের মধ্যে জার্ম প্লাজম বিতরণ এবং ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উপজেলা পর্যায়ে কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময়।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আশরাফুজ্জামান জানান, এবারের বন্যায় জেলায় ৮৭টি পুুকুর ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এরমধ্যে মাছ, পোনা ভেসে যাওয়ায় প্রায় ৪৭লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে চাষীদের। সবমিলিয়ে ৬৩ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে জেলায়।
তিনি বলেন, মাছের ঘাটতি পূরণে ব্যক্তিগত উদ্দ্যোগে পুকুর খনন, চাষীর সংখ্যা বৃদ্ধি, নদীর কোলে মাছ চাষ, সংযোগ চাষীদের মাছ চাষে উৎসাহ প্রদান করা হচ্ছে।
এছাড়া ১০৩৯জন চাষীর মাঝে ৫১লাখ টাকার ঋণ রয়েছে যারা মৎস্য চাষে ব্যবহার করছেন।
তিনি জানান, জলাশয় সংস্কারের মাধ্যমে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্প, রংপুর বিভাগে মৎস্য উন্নয়ন প্রকল্প ও ইউনিয়ন পর্যায়ে মৎস্য চাষ প্রযুক্তি সেবা সম্প্রসারণ ঘটানো হচ্ছে।