• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৬ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

বিস্ফোরক পরিদপ্তরের সব সেবা মিলবে অনলাইনে

সিসি ডেস্ক, ০৩ অক্টোবর ।। এখন থেকে অনলাইনেই পাওয়া যাবে বিস্ফোরক পরিদপ্তরের সব সেবা। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এ টু আই প্রকল্পের সহায়তায় বিস্ফোরক পরিদফতর সফটওয়্যারটি তৈরি করেছে।

শনিবার (৩ অক্টোবর) সকালে বিস্ফোরক পরিদপ্তরের এসব সেবা কার্যক্রম উদ্বোধন করেন বিদ্যুৎ জ্বালানি এবং খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। বিস্ফোরক পরিদপ্তরের ওয়েব সাইটে গিয়েই সব আবেদন করা যাবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘মন্ত্রণালয়ে কাজের শুরুতেই আমি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সেবা অনলাইনে করার চেষ্টা করছি। কিন্তু অনেকেই এই কাজে দেরি করছেন। মানুষ তার সব তথ্য আপনাদের দিয়ে দিচ্ছে। এই তথ্যের গোপনীয়তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব বিস্ফোরক পরিদপ্তরের। বিদ্যুৎ বিভাগকে অনলাইনে আবেদন ব্যবস্থা করতে বলেছিলাম। তারা শুধু আবেদনটা নিয়ে অফলাইনে চলে যায়। অফলাইন বা ফাইলওয়ার্ক মানেই সময়ের অপচয় এবং দুর্নীতি।’

জ্বালানি বিভাগের সিনিয়র সচিব আনিছুর রহমান বলেন, ১৮টি সেবা এত অল্প সময়ে অনলাইনে দেওয়া কঠিন ছিল। কিন্তু বিস্ফোরক পরিদপ্তর তা করে দেখিয়েছে। লকডাউনের মধ্যে আমাদের ব্যাপকভাবে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের জন্য কাঁচামাল আমদানি করতে হয়েছে। বিস্ফোরক পরিদপ্তর তখন অনলাইনে সেবা দিয়ে ব্যাপক সাড়া পেয়েছে।

বিস্ফোরক পরিদপ্তরের প্রধান পরিদর্শক মঞ্জুরুল হাফিজ বলেন, এই পদ্ধতিতে অনলাইনে আবেদন অনলাইনেই নিষ্পত্তি করা যাবে। ড্যাশ বোর্ডের মাধ্যমে আবেদন পড়ে আছে কি না তা মনিটর করতে পারবেন। সাধারণ মানুষ সময় এবং অর্থ সাশ্রয়ী হবে। একবার আবেদন করলে বারবার তার আবেদন করতে হবে না।

জ্বালানি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব আজিজুল ইসলাম বলেন,  ‘কোভিডের মধ্যে আমরা ৫টি সেবাকে অনলাইনে দে্ওয়ার সিদ্ধান্ত নেই। এরমধ্যে তিন হাজার ৬০০ আবেদন পড়েছিল। এর মধ্যে তিন হাজার ৫৩৬টি নিষ্পত্তি হয়েছে। সেখান থেকে অনুপ্রাণিত হয়েই আমরা বাকি ১৮টি সেবা অনলাইনে করার সিদ্ধান্ত নেই।’

অনলাইনে আবেদন করার পর লাইসেন্স দেওয়ার জন্য নির্দিষ্ট সময় বেধে দেয়া হয়নি।

প্রধানমন্ত্রীর এ টু আই প্রকল্পের পরিচালক আব্দুল মান্নান বলেন, এখানে অনলাইন পেমেন্ট সিস্টেম চালু করা হয়েছে। এতে গ্রাহকদের ব্যাংকে গিয়ে টাকা জমা দিতে হবে না। মোবাইল অ্যাপসে করা গেলে আর্ও সহজ হবে।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব দৌলতউজামান খান বলেন, ছুটির দিনেও কাজ করা যাবে। ফলে কাজ করার জন্য অতিরিক্ত সময় পাওয়া যাবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ