• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১৫ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

পোশাক শ্রমিককে ধর্ষণের অভিযোগ, আটক ৪

সিসি ডেস্ক, ০৬ অক্টোবর।। নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মুছারপুর ইউনিয়নে বিয়ের প্রলোভনে এক কিশোরীকে (১৬) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ধর্ষিত ওই কিশোরী চট্টগ্রামের একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করে বলে জানা গেছে। ঘটনায় চার যুবককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় লোকজন। তবে পুলিশ বলছে, ওই কিশোরী একজন ভাসমান প্রতিতা।

সোমবার দুপুরে ধর্ষিতা কিশোরীসহ পাঁচজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

আটকরা হচ্ছেন- বসুরহাট-চট্টগ্রাম রুটের বসুরহাট এক্সপ্রেসের হেলপার উপজেলার চরফকিরা ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের ইমন (১৯), মুছাপুর ২নং ওয়ার্ডের সাইফুল ইসলাম (২৯), রামপুর ৭নং ওয়ার্ডের বাঞ্চারাম এলাকার সিএনজিচালক জামাল উদ্দিন পিয়াস (২৩) ও একই ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের মক্কানগর এলাকার নসিমনচালক মহি উদ্দিন (৩৫)।

ধর্ষিতা কিশোরী অভিযোগ করে বলেন, চট্টগ্রামের থাকা অবস্থায় ইমন তার সাথে সম্পর্ক গড়ে তোলে। বিয়ের প্রলোভন দিয়ে রবিবার রাতে চট্টগ্রাম থেকে বসুরহাট এক্সপ্রেস বাস যোগে কোম্পানীগঞ্জে বসুরহাট বাস স্টান্ডে নিয়ে আসে তাকে। সেখান থেকে ইমনের সহযোগী সিএনজিচালক জামাল উদ্দিন পিয়াস সিএনজি নিয়ে এসে তাকে ও ইমনকে মুছাপুরে সাইফুলের বাড়িতে নিয়ে যায়। রাতে সাইফুলের বাড়ির একটি টিনের ঘরে ইমন তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করে। তার গ্রামের বাড়ি কুমিল্লা জেলার দেবীদ্বার এলাকার রামচন্দ্রপুর গ্রামে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাইফুলের বাড়ির একটি ঘর থেকে রাতে এক নারীর ঘোঙরানির শব্দ পেয়ে ঘরে গিয়ে আপত্তিকর অবস্থায় তাদের আটক করে। খবর পেয়ে রাতে পুলিশ তাদের আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. রবিউল হক জানান, ধর্ষণের ঘটনা ঘটেনি। ওই কিশোরী একজন ভাসমান প্রতিতা। প্রতিয়মান হওয়ায় ওই কিশোরী ও আটক চার যুবককে ২৯০ ধারায় আদালতে পাঠানো হয়েছে।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি আরিফুর রহমান বলেন, রাতে এলাকায় সন্দেহজনকভাবে ঘুরাঘুরি করায় এলাকার লোকজন তাদের আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ