• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৬ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

ছাত্রীকে অপহরণ করে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ

সিসি ডেস্ক, ১৯ অক্টোবর ।। বরগুনায় এক কলেজছাত্রীকে অপহরণ করে তিনদিন আটকে রেখে ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। থানায় মামলা না নেয়ায় বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেছেন ওই ছাত্রীর মা।

রোববার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও জেলা জজ মো. হাফিজুর রহমান মামলাটি গ্রহণ করে বরগুনা থানাকে এজাহার নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার আসামিরা হলেন- বরগুনা সদর উপজেলার ফুলঝুড়ি ইউনিয়নের পশ্চিম গিলাতলী গ্রামের আহসানুল হক লাহুর ছেলে রাজিকুল ইসলাম রাজু, রাজুর ভগ্নিপতি আহম্মেদের ছেলে কবির মিয়া ও রাজুর সহযোগী আলাউদ্দিনের ছেলে আউয়াল।

মামলার বাদী ওই কলেজছাত্রীর মা জানান, তার মেয়ে বরগুনা সরকারি কলেজে পড়াশোনা করে। ১৫ সেপ্টেম্বর সকালে খালার বাড়িতে বেড়াতে যায় তার মেয়ে। ওইদিন বিকাল ৪টার দিকে বাড়িতে ফিরে আসার সময় রাজিকুল ইসলাম রাজু ও তার ভগ্নিপতি কবির মিয়া তার মেয়েকে অপহরণ করে মোটরসাইকেলে তুলে আউয়াল মিয়ার বাড়িতে নিয়ে আটকে রাখে। সেখানে ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আটকে রেখে ধর্ষণ করে। সেইসাথে ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করেছে।

তিনি বলেন, সংবাদ পেয়ে লোকজন নিয়ে ১৯ সেপ্টেম্বর সকাল ৬টায় আমার মেয়েকে উদ্ধার করি। আমি মামলা করতে চাইলে আসামি রাজু আমার মেয়েকে বিয়ে করার আশ্বাস দেয়। পরবর্তীতে রাজু জানায় আমার মেয়েকে বিয়ে করবে না। রাজু বলে বেশি বাড়াবাড়ি করলে আপনার মেয়ের খারাপ ভিডিও করে রেখেছি, সেই ভিডিও ইন্টারনেটে ছেড়ে দেব।

তিনি আরও বলেন, আমি ১০ অক্টোবর বরগুনা থানায় মামলা করতে গেলে ওসি মামলা না নিয়ে বরগুনা ট্রাইব্যুনালে মামলা করার পরামর্শ দেন।

বরগুনা সদর থানার ওসি কে এম তারিকুল ইসলাম বলেন, এ ব্যাপারে বরগুনা থানায় কেউ মামলা করতে আসেনি। ভুক্তভোগী পরিবার থানায় আসলে মামলা নেয়া হতো। এখন এলেও আমি মামলা নেব। তাছাড়া আদালত যে আদেশ দেবেন, সেই দিক নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ শুরু করব।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ