• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৮ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ৫ বছরের দণ্ড বাদীর

জয়পুরহাট, ০২ নভেম্বর ।। জয়পুরহাটে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা দায়ের করায় বাদীকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার বিকেলে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক রস্তম আলী এ রায় দেন।

জয়পুরহাট আদালতের পিপি নৃপেন্দ্রনাথ মন্ডল বিষয়টি সমকালকে নিশ্চিত করে জানান, দণ্ডপ্রাপ্তের নাম লিলিফা বানু (৩৫)। তিনি জয়পুরহাট সদর উপজেলার সুন্দুরপুর গ্রামের শাহাজাহান আলীর স্ত্রী।

ওই নারী যে মামলা করেছিলেন তাতে বলা হয়, গত বছরের ২২ জুন লিলিফা বানুর স্বামী ধামইরহাট উপজেলার বাসুদেবপুর গ্রামে তার খালার বাড়িতে ঘুরতে যান। ওইদিন রাতে খাওয়া-দাওয়া শেষে লিলিফা বানু তার ছেলে তানজিলকে নিয়ে নিজ ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন। পরে রাত ১২টার দিকে একই গ্রামের রুহুল আমিন বাড়ির প্রাচীর টপকে লিলিফা বানুর শয়ন ঘরে ঢুকে তাকে ধর্ষণ করেন। এসময় লিলিফার চিৎকারে পাশের ঘরে থাকা বোন ও বোন জামাই ছুটে এসে রুহুল আমিনকে ধরে ফেলেন। এ ঘটনায় ২৭ জুন লিলিফা বানু বাদী হয়ে রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল আদালতের বিশেষ কৌঁসুলি ফিরোজা চৌধুরী জানান, তদন্তে মামলাটির সত্যতা মেলেনি। বাদী গোপনে মামলাটি আপোস করেছিলেন। আদালত এ ঘটনা জানার পর মামলার বাদীকে জেলহাজতে পাঠিয়েছিলেন। সোমবার আইনজীবির মাধ্যমে আদালতে বাদী জামিন আবেদন করেন। মিথ্যা মামলা দায়ের করায় আদালতের বিচারক নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলার বাদীকে ৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন। আসামিকে মামলার দায় থেকে অব্যাহতিও দিয়েছেন আদালত।

জয়পুরহাট আদালতের পিপি নৃপেন্দ্রনাথ মন্ডল বলেন, গত মাসে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল আদালতে পরপর দু’টি ধর্ষণ মামলার বাদীকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন। একই ধরণের ঘটনায় আবারও মামলার বাদীকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এটি একটি যুগান্তকারী রায়। এ রায়ের ফলে মিথ্যা মামলার প্রবণতা কমবে বলে আশা করছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ