• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩৫ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

‘ভোট চাইতে এসে অযথা সময় নষ্ট করবেন না’

সিসি ডেস্ক ।। ভোটারদের আকৃষ্ট করতে প্রার্থীর পক্ষে তার কর্মীরা ভোটারের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট চাইছেন। তবে কেউ কেউ এতে বিরক্তও হচ্ছেন। সেই বিরক্ত থেকে বাঁচতে বাড়ির ফটকে প্রার্থীদের প্রতি অনুরোধলিপি লিখে দিয়েছেন ঠাকুরগাঁও পৌর শহরের এক বাসিন্দা।

চলমান পৌর নির্বাচনের চতুর্থ ধাপে ১৪ ফেব্রুয়ারি ঠাকুরগাঁও পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। পৌর এলাকার মানুষের সঙ্গে বিরামহীন গণসংযোগ করে যাচ্ছেন প্রার্থীরা। চলছে মাইকে প্রচারণা। পৌর এলাকার বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রার্থীর পক্ষে ভোট চাইছেন কর্মীরা।

প্রার্থীর কর্মী-সমর্থদের এমন বিরক্তির হাত থেকে রক্ষায় ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ফেরদৌস আরা বাড়ির কেচিগেটে প্রার্থী-সমর্থকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে একটা অনুরোধলিপি ঝুলিয়ে দিয়েছেন। সেখানে লেখা রয়েছে, ‘এই পৌরসভায় আমাদের ভোট নেই। তাই ভোট চাইতে এসে অযথা সময় নষ্ট করবেন না।’

ঠাকুরগাঁও পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর পদে আটজন প্রার্থী প্রচারণা চালাচ্ছেন। এছাড়া প্রচারণা চালাচ্ছেন মেয়র ও সংরক্ষিত আসনের আরও ছয় প্রার্থী। ওয়ার্ডে ১৪টি মাইকের শব্দে কান ঝালাপালা অবস্থা। প্রার্থীদের কর্মীরা আবার বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। এতে ওয়ার্ডবাসীর যেন বিরক্তির শেষ নেই।

২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আবদুর রশিদ বলেন, ‘দুপুর হলেই প্রার্থীদের মাইকের শব্দে থাকা যায় না। একটু বিশ্রাম নেবেন, সেই সময় কলবেল বেজে ওঠে। দরজা খুললেই প্রার্থীর লোকজন হাতে একটা প্রতীকের ছবি ধরিয়ে দিয়ে চলে যাচ্ছেন।’

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) ঠাকুরগাঁও জেলার সভাপতি মনতোষ কুমার দে বলেন, প্রার্থীরা পৌর উন্নয়নের স্বপ্ন দেখাচ্ছেন ঠিকই, কিন্তু পরিকল্পিত ও বাসযোগ্য পৌর শহর বাস্তবায়ন করতে হলে কী কী করবেন, তা কোনো প্রার্থীই সঠিকভাবে তুলে ধরছেন না। ভোটের আগে সবাই প্রার্থী নিজেকে সৎ, যোগ্য, অন্যায়-দুর্নীতির বিরুদ্ধে নির্ভীক, সমাজসেবক দাবি করে ভোট চাইছেন। কিন্তু ভোট পেরোলেই তাদের মধ্যে সেই চেতনার দেখা পাওয়া যায় না।

তিনি বলেন, পৌরবাসীর সুখ-স্বস্তির জন্য ন্যায়পরায়ণ ও পরোপকারী ব্যক্তিকে জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচন করা গুরুত্বপূর্ণ, যারা শুধু ভোটের সময় নয়, সবসময়ই পৌরবাসীর ভাইবোন হবেন। প্রচারণায় ভোটাররা যেন বিরক্তিবোধ না হয়, সেদিকে প্রার্থীদের খেয়াল রাখতে হবে। উৎস: বিডি জার্নাল


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ