• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৫ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

তিন শিক্ষককে শাস্তি, সাত শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের সুপারিশ

সিসি নিউজ ডেস্ক ।। পরীক্ষার খাতায় অসঙ্গতিপূর্ণ নম্বর দেয়ার অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষককে শাস্তির সুপারিশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা বোর্ড। একই সঙ্গে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ও জালিয়াতিতে জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সাত শিক্ষার্থীকে আজীবন এবং দুজনকে সাময়িক বহিষ্কারের সুপারিশ করা হয়েছে।

এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় এবং অধিভুক্ত কলেজের ১৪৭ শিক্ষার্থীকে পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করার জন্যে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তির সুপারিশ করা হয়।

বৃহস্পতিবার বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের আব্দুল মতিন ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে অনুষ্ঠিত শৃঙ্খলা বোর্ডের (ডিবি) এক সভায় এসব সুপারিশ করা হয়। সাময়িক বহিষ্কৃত দুজনকে শিক্ষার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠিয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে জবাব দিতে বলা হবে। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট তাঁদের ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবে।

শৃঙ্খলা বোর্ডের এসব সুপারিশের ব্যাপারে নিশ্চিত করেন বোর্ডের সভাপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো আখতারুজ্জামান৷

ড. মো আখতারুজ্জামান বলেন, ‘পরীক্ষায় অসঙ্গতিপূর্ণ নম্বরের কারণে সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের তিনজন শিক্ষককে শাস্তির সুপারিশ করে শৃঙ্খলা পরিষদ। এছাড়া প্রশ্ন ফাঁস ও জালিয়াতি করে ভর্তির জন্য সাত শিক্ষার্থীকে আজীবন, দুই শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার এবং ১৪৭ শিক্ষার্থীকে পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করার জন্য বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তির সুপারিশ করা হয়েছে।’

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, শাস্তি পাওয়া তিন শিক্ষক হলেন- অধ্যাপক ড. এএসএম আতিকুর রহমান, অধ্যাপক ড. গোলাম আজম ও সহকারী অধ্যাপক মাইনউদ্দীন মোল্লা। শাস্তি হিসেবে তাদের তিন বছর পরীক্ষা সংক্রান্ত কাজ থেকে অব্যাহতি দেয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ও জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ২০১৯ সালের ২৩ জুন বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮৭ জন শিক্ষার্থীসহ ১২৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় সিআইডি। তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইন এবং পাবলিক পরীক্ষা আইনে পৃথক দুটি অভিযোগপত্র দেয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮৭ জনের মধ্যে ৭৮ জনকে আগেই আজীবন বহিষ্কার করা হয়েছে। জালিয়াতির ঘটনায় এ নিয়ে ৮৫ জন শিক্ষার্থী আজীবন বহিষ্কার হলেন ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ