সিসি নিউজ ।। নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর পৌরসভা নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগ করলেন বাংলাদেশ যুব মহিলা লীগ সৈয়দপুর পৌর শাখার সভাপতি পারভীন নাজ।
গত ৪ মার্চ বৃহস্পতিবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর তিনি এ অভিযোগ করেন। আনিত এ অভিযোগে ১নং সংরক্ষিত আসনের ভোট বাতিল করে তিনি পুনরায় ভোট গ্রহনের দাবি করেন। তিনি তার অভিযোগে বলেন, গত ২৮শে ফেব্রুয়ারী অনুষ্ঠীত সৈয়দপুর পৌরসভা নির্বাচনে ১নং সংরক্ষিত আসনের (১, ২ ও ৩ নং ওয়ার্ড) জবা ফুল মার্কা নিয়ে ভোটযুদ্ধে নামি। কিন্তু ভোটের দিন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতারা অনৈতিক সুবিধা নিয়ে বিএনপি সমর্থিত চশমা মার্কার প্রার্থী সাবিয়া সুলতানাকে জেতাতে ভোট কারচুপির আশ্রয় নেয়। আমার কর্মী সমর্থকরা ভোটকেন্দ্রে ভোট দিতে গেলে তারা বাধার সৃষ্টি করে। একই সঙ্গে তারা আমার ভোটারদের বলে, যাও তোমাদের ভোট হয়ে গেছে।
তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন, ভোটের দিন বেলা ৩:৪৫মিনিটে আমি ১ নং ওয়ার্ডের ভোটকেন্দ্র কয়াগোলাহাট স্কুল এন্ড কলেজে গিয়ে জানতে পারি ইভিএম মেশিন নষ্ট হয়েছে। এজন্য ভোট নেয়া বন্ধ। পরে খবর নিয়ে জানতে পারি যে, ভোটকেন্দ্রের বুথের দরজা জানালা বন্ধ করে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত ভোট নেয়া হয়েছে। আর এই ইভিএম এর ফলাফল উপজেলায় গিয়ে ঘোষণা করা হয়। এ বিষয়ে আমাকে জানানোর প্রয়োজন মনে করেনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তাই ভোটে যে জালিয়াতি হয়েছে এ ব্যাপারে আমি শতভাগ নিশ্চিত।
তার মতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ১নং সংরক্ষিত আসনের ফলাফল বাতিল করে পুনরায় ভোট গ্রহণ না করলে এ বিষয়টি নিয়ে আমি রাজপথে নামবো।
এ বিষয়ে কথা হয় সৈয়দপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মোখছেদুল মোমিনের সাথে। তিনি সিসি নিউজকে জানান, আবেদনকারীর কাছে শুনেছি ইভিএম মেশিন বন্ধ ছিল কিছু সময়। কিন্তু তা সত্য কিনা আমার জানা নেই। তাছাড়া ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের লোকজন অনৈতিক সুবিধার বিষয়টি সঠিক নয় বলে আমার বিশ্বাস।
ভোট কারচুপি করার অভিযোগ বিষয়ে জানতে মুঠোফোনে কথা হয় সহকারি রিটার্নিং অফিসার ও সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা রবিউল ইসলামের সঙ্গে।তিনি বলেন, তারা প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে অভিযোগ দিয়েছে। তারাই এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিবে। আমার এখানে করার কিছুই নেই।