সিসি নিউজ ডেস্ক ।। কারও হাতে রং-তুলি, কারও হাতে রঙের জার। সবার পরনে সাদা গেঞ্জি। গভীর মনোযোগে সড়কে তারা আলপনা এঁকে চলেছেন। এ দৃশ্য গাইবান্ধা-সাঘাটা-ফুলছড়ি সড়কে।
২৪ ঘণ্টায় ১০ কিলোমিটার সড়কে আলপনা এঁকে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লেখাতে চান তারা। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষকে স্মরণীয় করতে বৃহস্পতিবার দুপুর ২টায় শুরু হয়ে এই আলপনা আঁকা শেষ হবে শুক্রবার দুপুর ২টায়। দেশের বিভিন্ন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজে পড়ূয়া গাইবান্ধার শিক্ষার্থীদের সংগঠন পাবলিক ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন অব গাইবান্ধা (পুসাগ) এ উদ্যোগ নেয়।
অঙ্কনের কাজে অংশ নেওয়া গাইবান্ধা সরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী নিকেতন চৌহান মুগ্ধ বলেন, পুসাগের বড় ভাইয়াদের আমন্ত্রণে আমরা নিজেদের ভালো একটি কাজে শরিক করতে পেরে গর্বিত মনে করছি।
গাইবান্ধার চিত্রশিল্পী ও কার্টুনিস্ট রেজাউল আমিন আনিছ বলেন, গিনেস বুকে স্থান পাওয়ার মতো দুঃসাহসিক কাজ করছে পুগাসের সদস্যরা, যা বাংলাদেশের জন্য সুনাম বয়ে আনবে। তিনি বলেন, যতদূর জানা যায়, সর্বোচ্চ সাড়ে সাড়ে চার কিলোমিটার আলপনা অঙ্কনের রেকর্ড রয়েছে। তিনি পরিকল্পনাকারী ও আয়োজকদের এ ধরনের সৃজনশীল কাজের জন্য ধন্যবাদ জানান।
উদ্যোক্তা সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক একে প্রামাণিক পার্থ, নির্বাহী সভাপতি ডা. তন্ময় নন্দী আশা করছেন তারা গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে গাইবান্ধা জেলার নামটি সংযুক্ত করতে সক্ষম হবেন।
সংগঠনের সভাপতি হুসেইন মো. জীম বলেন, ১০টি পয়েন্টে ১২শ শিক্ষার্থী একযোগে অঙ্কন কাজে অংশ নিয়েছে। তাদের নিরাপত্তাসহ স্বাস্থ্যসেবার জন্য পুলিশ ও মেডিকেল টিম প্রস্তুত আছে। তিনি বলেন, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী এবং মুজিববর্ষকে সারা বিশ্বে স্মরণীয় করে রাখতেই ১০ কিলোমিটার সড়কজুড়ে এই বর্ণিল নান্দনিক আলপনা অঙ্কনের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।