• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২২ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

অর্থের অভাবে মেডিকেল কলেজে ভর্তি হতে পারছেনা রায়হান

হাবিবুর রহমান, চিলমারী (কুড়িগ্রাম) ।। মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েও অর্থাভাবে ভর্তি হতে পারছে না চিলমারীর অদম্য মেধাবী ছাত্র রায়হান মিয়া। সে চিকিৎসক হয়ে অসহায় মানুষের সেবা করতে চায়। কিন্তু তার ইচ্ছা পূরণে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে আর্থিক অনটন।

বাশেঁর চাটাই তৈরী করে জীবিকা নির্বাহকারী হত দরিদ্র বাবার সন্তান রায়হান মিয়া এইচএসসি পাস করে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়। সে মেধা তালিকায় ৩৪২৮ তম স্থান অধিকার করে, যশোর মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েও শুধুমাত্র অর্থাভাবে ভর্তি হতে পারছে না। সমাজের বিত্তবান ও শিক্ষানুরাগী ব্যাক্তিদের সাহায্য সহযোগীতা পেলে রায়হান মিয়া একজন চিকিৎসক হয়ে তার বাবা-মায়ের মুখে হাসি ফুটানোসহ কুড়িগ্রাম তথা দেশের মুল্যবান সম্পদে পরিনত হতো।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের ফকিরেরহাট মজারটারী এলাকার মোঃ নিরাশা মিয়া ও মোছাঃ রুপিয়া বেগমের একমাত্র ছেলে মোঃ রায়হান মিয়া। তার বড় দুই বোন,তাদের বিয়ে হয়েছে। বাবা নিরাশা মিয়ার বসতভিটা ছাড়া কিছুই নেই। বাঁশের চাটাই তৈরী করে কোন রকমে সংসার চালাতেন তিনি। বর্তমানে বাঁশের চাটাইয়ের কদর কমে যাওয়ায় এবং নিজের বয়স বেড়ে যাওয়ায় সে কাজও তিনি ঠিকমত করতে পারছেন না। টানাটানির সংসারে অভাব আর দারিদ্রের সঙ্গে লড়াই করে লেখাপড়া করেছেন রায়হান মিয়া।

রায়হান মিয়া জিপিএ-৫ পেয়ে ফকিরেরহাট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে জেএসসি ও এসএসসি এবং মহারাণী স্বর্ণময়ী স্কুল এন্ড কলেজ থেকে জিপিএ-৫ পেয়ে এইচএসসি পাস করেন। পিতার একমাত্র সম্পদ দুইটি ইউক্লিপটাস গাছ ২৫হাজার টাকায় বিক্রি করে তাই দিয়ে রংপুরস্থ ডা.নাবিল এডমিশন কেয়ার মেডিকেল কোচিং এ ভর্তি হয়। সেখান থেকে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে রায়হান মিয়া। মেধা তালিকায় ৩৪২৮তম স্থান অধিকার করে সে যশোর মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পায়। মেডিকেল কলেজে ভর্তি ও অন্যান্য খরচসহ প্রায় ৭০-৮০ হাজার টাকা দরকার। এছাড়াও ভর্তি হয়ে কংকাল ক্রয়সহ শিক্ষা জীবনে বাকী পথ কিভাবে পাড়ি দিবে তা তার জানা নেই। রায়হান মিয়ার মা রুপিয়া বেগম ছেলের উচ্চ শিক্ষার জন্য সমাজের বিত্তবান ও শিক্ষানুরাগী ব্যাক্তিদের সাহায্য সহযোগীতা কামনা করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ