এমনই এক ঘটনা ঘটেছে দিনাজপুর শহরের বড়বন্দর এলাকায় মেসার্স আদর্শ চাল ঘর নামে এক মিনি অটো রাইস মিলে। বাহ্যিক দৃষ্টিতে দেখতে গুডান ঘর হলেও আসলে এর ভিতরে চলতো কম দামে চাল পালিশ করে বেশি দামে বিক্রির কার্যক্রম।
কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী সাথে কথা বলে জানা যায়, মেসার্স আদর্শ চাল ঘর নামে মিনি অটো রাইস মিলে খন্দকার শওকত হোসেন নামে এক ব্যক্তি চালাতো। তিনি বিভিন্ন মিল থেকে নিম্নমানের চাল সংরক্ষণ করে এখানে নিয়ে এসে পালিশ করে উচ্চ দামে বাজারে বিক্রি করতো।
দিনাজপুরের সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর নেতৃত্বে একটি দল বড়বন্দর এলাকায় মুখের মাস্ক এবং ইফতারের নিরাপদ খাদ্য
অভিযানে গেলে । মেসার্স আদর্শ চাল ঘর নামের মিনি অটো রাইস মিলে অবৈধ কার্যক্রম হচ্ছে এমন তথ্য পেয়ে সেখানে যান। গিয়ে দেখেন পচা দুর্গন্ধ চাল পালিশ করে বস্তা বন্ধি করতে ।
ততক্ষণে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর ও খাদ্য অধিদপ্তর কর্মকর্তাকে ডেকে নিয়ে আসেন চাল পরীক্ষা করেন। পরীক্ষা শেষে দিনাজপুর সদর উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাগফুরুল হাসান আব্বাসী বলেন, নিরাপদ খাদ্য আইন ২৬ ধারায় বলা আছে ভেজাল খাদ্যদ্রব্য বা নিম্নমানের খাদ্য উৎপাদন করা যাবেনা। এখানে পচা দুর্গন্ধযুক্ত চাল পালিশ করে বেশি লাভের আশায়। যা রীতিমতো মানুষের সাথে এক ধরনের প্রতারণা। মিল মালিক খোন্দকার শওকত হাসান যেহেতু তার অপরাধ স্বীকার করে নিয়েছেন । তাই ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর ৪৩ ধারায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।