• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫৬ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

লকডাউনেও চিলমারীর ব্রহ্মপুত্রের তীরে মানুষের ঢল

চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি ।। আতঙ্ক আর লকডাউন সাথে নিষেজ্ঞা নেই মানার বালাই। আইন থাকলেও যেন ঘুমিয়ে আছেন কর্তারা। লকডাউন ও সরকারী নিষেজ্ঞা উপেক্ষা করেই অনুষ্ঠিন অষ্টমীর স্নান। ব্রহ্মপুত্রের পাড়ে জনতার ঢল। আতঙ্কের নাম যখন করোনা। করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচতে ঘর মুখি মানুষ। সকল প্রকার গণসমাবেশ নিষেজ্ঞা। চলছে লকডাউন। বন্দ রয়েছে ধর্মীও সভা, সমাবেশ। মঙ্গলবার চিলমারীর ব্রহ্মপুত্রে অনুষ্ঠিত অষ্টমীর স্নানের উপর নিষেজ্ঞা জারি করে প্রশাসন। কিন্তু নিষেজ্ঞা উপেক্ষা করে ১দিন আগে থেকেই ব্রহ্মপুত্রের তীরে জমায়েত হয় এবং  স্নান উৎসবে যোগদেন হিন্দু পূণ্যার্থীরা। প্রশাসনের তেমন কড়াকড়ি না থাকায় অনেকে খুব ভোরেই ¯স্নান সেরে নিয়েছে বলেও জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা। প্রত্যক্ষদর্শীরা আরো জানান, সমবার থেকেই বিভিন্ন স্থান থেকে হিন্দু ধর্মাবলীরা ব্রহ্মপুত্রে পাড়ে সমাবিত হয় এবং স্নান উৎসবে যোগ দেন। তারা আরো জানান, তবে প্রশাসন জানা মাত্রই সেখানে যাচ্ছেন এবং সমাবিত মানুষকে বাড়িতে যাওয়ার আহব্বান যাচ্ছেন। স্নান উৎসবে যোগদেয়া অনেকের সাথে কথা হলে তারা জানান বছরের একটি দিন আর এই দিনটি আমাদের জন্য বড় একটি দিন পাপ মোচনের দিন, না আসলে কি চলে। তবে আয়োজক কারীরা বলেন করোনা আতঙ্ক আর প্রশাসনের নিষেজ্ঞা না থাকলে এবারে প্রায় ৫লাখেরও বেশি হিন্দু ধর্মাবলীর পূণ্যার্থীরা যোগ দিত স্নান উৎসবে। তবে এলাকাবাসীরা জানান, লকডাউন থাকলেও হাজার হাজার মানুষ সমাবিত হয়ে উৎসব পালন করছে এটা আমাদের জন্য বড় আতঙ্কের না জানি করোনার থাবা আমাদের এখানে হানা দেয় কি না। চিলমারী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ অনোয়ারুল ইসলাম বলেন আমাদের টহল সব স্থানে আছে এর মধ্যে যারা এসেছিল তাদের ঘুরে দেয়া হয়েছে। এছাড়াও আমরা খবর পাওয়া মাত্রই যেখানে সমাবিত হচ্ছে মানুষজন সেখানেই যাচ্ছি এবং সকলকে নিজ নিজ বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়া হচ্ছে। বিছিন্ন ভাবে স্নান উৎসবে যোগ দিয়েছেন হিন্দুধর্মাবলীরা তা স্বীকার করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ ডব্লিউ এম রায়হান শাহ্ বলেন এ বিষয়ে নজরদারী বাড়াতে অফিসার ইনচার্জকে বলা হয়েছে এছাড়াও স্নানের উপর নিষেজ্ঞা জারি করে বিভিন্ন ভাবে প্রচারও করা হয়েছিল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ