• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫৫ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

শিল্পপতি পারভেজ খানের মৃত্যু বার্ষিকীতে ইফতার বিতরণ 

সিসি নিউজ ।। নীলফামারীর সৈয়দপুর শহরের বিশিষ্ট শিল্পপতি ও আমেরিকা প্রবাসী সমাজ সেবক মরহুম পারভেজ খানের ৮ম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। ২৪ এপ্রিল শনিবার মরহুমের ছোট ভাই সৈয়দপুর উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের আহ্বায়ক সাবেক ছাত্রলীগ নেতা দিলনেওয়াজ খান শহরের মুন্সিপাড়া এলাকায় দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে এ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করেন। এছাড়াও শহরের অন্যান্য এলাকায় ঘরে ঘরে গিয়ে ইফতার সামগ্রী দেওয়া হয়।
সৈয়দপুর শহরের মুন্সিপাড়া মহিলা কলেজ সংলগ্ন এলাকার মরহুম নাঈম খানের জ্যেষ্ঠ ছেলে পারভেজ খান ছিলেন অত্যন্ত মানবতাবাদী উদার মনের মানুষ। সুদূর আমেরিকার নাগরিকত্ব নিয়ে সেখানে ব্যবসা করার পাশাপাশি নীলফামারীর উত্তরা ইপিজেড প্রতিষ্ঠাকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আহবানে সাড়া দিয়ে তিনি সেখানে প্রতিষ্ঠা করেন “কেপি ইন্টারন্যাশনাল” নামের শিল্প প্রতিষ্ঠান। যেখানে কর্মসংস্থান হয় প্রায় ২ হাজার স্থানীয় শ্রমিকের। এছাড়াও তিনি সৈয়দপুরে গড়ে তোলেন একাধিক প্রতিষ্ঠান।
সৈয়দপুরের সাধারণ মানুষকে তিনি অত্যন্ত ভালোবাসতেন। যে কারণে অধিকাংশ সময় আমেরিকার বিলাসবহুল সুযোগ সুবিধাকে উপেক্ষা করে সৈয়দপুরেই অবস্থান করতেন। এখানকার সর্বস্তরের লোকজনের সাথে ছিলো তাঁর অন্যরকম সখ্যতা। বিশেষ করে দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে ছিলো তাঁর অবাধ মিলামিশা। যে কেউ যে কোন প্রয়োজনে যে কোন সময় তাঁর দ্বারস্থ হলে কখনই বিমুখ হতোনা। সবসময়ই তিনি সকলের সহযোগিতায় অবলীলায় হাত বাড়িয়ে দিতেন।
তিনি এমন একজন মানুষ ছিলেন যে তাঁর কেন শত্রু ছিলো বলে কেউ বিশ্বাস করেনা। ছোট-বড়, ধনী-গরিব, হিন্দু-মুসলিম, বাঙালী-বিহারী কোন ভেদাভেদ ছিলনা। তিনি সকলকে সহজেই আপন করে নিয়ে একেবারে মনের মাধুরি দিয়ে ভালোবাসতেন। এই কারণে তিনি সর্বস্তরের মানুষের কাছে “খান ভাই” হিসেবে এক নামে পরিচিত ছিলেন।
এই পরোপকারী বিশাল মনের অধিকারী মানুষটি ২০১৩ সালের এই দিনে সৈয়দপুরবাসীকে কাঁদিয়ে পরপারে পাড়ি জমান। তাঁর চির বিদায়ে সেদিন আপামর জনগন কেঁদে বুক ভাসিয়েছে তাদের অতি আপনজনকে হারিয়ে। আজও অনেকে কাঁদে তাঁর বিরহে। কথায় কথায় তাঁর উদারতার উদাহরণ টেনে উপমা দেয় মানুষকে ভালোবাসার প্রকৃত আন্তরিক বদান্যতার।
উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের আহ্বায়ক সাবেক ছাত্র লীগ নেতা ও মরহুম পারভেজ খানের ছোট ভাই দিলনেওয়াজ বলেন, বড় ভাই ছিলেন আমাদের আদর্শ। তাঁর হাত ধরেই যেমন বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে আওয়ামী রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হয়েছি। তেমনি তাঁর কাছ থেকেই শিখেছি মানুষকে আপন করে তাদের পাশে দাঁড়ানোর ও সেবা করার মানসিকতা। তাঁকে হারিয়ে আজ আমরা অসহায় হয়ে পড়েছি। কিন্তু তাঁর দেখানো পথে চলে সাধারণ মানুষের ভালোবাসায় সিক্তও হয়েছি। যে কারণে তাঁর স্মৃতিবহ এদিনটিতে সামর্থ্য অনুযায়ী চেষ্টা করি অসহায় মানুষগুলোর পাশে দাঁড়াতে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ