• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৩৮ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

সৈয়দপুরে সড়ক ঘেঁসে ময়লার স্তূপ, দুর্ভোগে মানুষ

।। আমিরুল হক আরমান ।। সড়কের পাশে ময়লার স্তূপ। জন্ম নিচ্ছে মশা-মাছি ও পোকামাকড়। ময়লা-আবর্জনা থেকে এলাকায় ছড়াচ্ছে জীবাণু। বৃষ্টির পানি সাথে ময়লার পানি জমে একদিকে সড়কের যেমন ক্ষতি হচ্ছে অন্যদিকে সৌন্দর্য হারাচ্ছে সড়ক। দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে পথচারিরা। নীলফামারীর সৈয়দপুর পৌরসভার শহীদ ডা. জিকরুল হক সড়কের চিত্র এটি।

সরেজমিনে দেখা যায়, শহরের গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কে রয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়, সৈয়দপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজ, রেল স্টেশন, উপজেলা প্রধান পোস্ট অফিস, প্লাজা সুপার মার্কেটসহ সরকারি- বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সংযোগ সড়ক। প্রতি দিন হাজার হাজার মানুষ এ পথ অতিক্রম করে তাদের প্রতিষ্ঠানে যাতায়ত করেন। পথচারিরা সেখান থেকে চলাচল সময় মুখে মাস্ক থাকলেও দম বন্ধ করে দোঁড়ে পার হন। কারন এখানে রয়েছে ময়লা-আবর্জনার বিশাল স্তূপ। পৌসভার ময়লা সংগ্রহকারিরা শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে ময়লা সংগ্রহ করে সেখানে ডাম্পিং পয়েন্ট হিসাবে ব্যবহার করছে। কয়েকদিন ময়লাগুলো জমা হওয়ার পর পৌরসভার বড় গাড়ীতে করে ফেলা হয় শেষ ডাম্পিং পয়েন্টে।

এলাকার বেসরকারি স্কুলের শিক্ষিকা কোয়েলিয়া বিশ^াস তমা বলেন, একটি নিরাপদ, সুস্থ ও সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত করতে সেখানে ময়লা ফেলা বন্ধ করতে হবে। দুর্গন্ধে মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠছে। আশা করছি, সড়কের পাশে ময়লা না ফেলানোর জন্য নব-নির্বাচিত মেয়র মহোদয় দ্রুত ব্যবস্থা নিবেন।

ওই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন যাতায়াত করেন নতুনবাবু পাড়া এলাকার ব্যবসায়ী মোহাম্মদ টিপু সুলতান। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ময়লা আবর্জনা ফেলায় পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। প্রতিনিয়ত রোগ জীবাণু ছড়াচ্ছে। আবর্জনার গন্ধে রাস্তা দিয়ে চলাচল অনেক কঠিন হয়ে গেছে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এ জায়গাটি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করা প্রয়োজন।

এ ব্যাপারে সৈয়দপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আলেমুল বাশার বলেন, মানুষের আসা-যাওয়ার স্থানে আবর্জনা ফেলা ঠিক নয়। যেখানে মানুষের চলাচল কম সেখানে ফেলা দরকার। আবর্জনার এই গন্ধে শ্বাসনালিতে ইনফেকশন হয়ে শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এভাবে আবর্জনা ফেলা জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি।

ওই ওয়ার্ডের পৌর কাউন্সিলর মোহাম্মদ আব্দল খালেক সাবু জানান, আমি এভাবে এলাকাবাসীকে কষ্ট দিতে চাইনা। কিন্তু বিকল্প জায়গা না পাওয়ায় কিছুই করা যাচ্ছে না। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ নিয়ে তিনবার এ ময়লার স্থান পরিবর্তন করেছি। যেখানেই ফেলি এলাকাবাসীর প্রতিবাদে ওই স্থানটি আবার পরিবর্তন করতে হয়। স্থায়ী সমাধান না হওয়া পর্যন্ত কিছুই করার নাই।

সৈয়দপুদর পৌরসভার নব-নির্বাচিত মেয়র রাফিকা আক্তার জাহান বেবী বলেন, শহরের ময়লা-আবর্জনা ফেলার জন্য বিকল্প জায়গা খোঁজা হচ্ছে। নতুন জায়গা না পাওয়া পর্যন্ত পৌর নাগরিকদের একটু কষ্ট সহ্য করতে হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ