• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০৭ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

খুপরির ভাঙা ঘরে বসে পাকা ঘরের অপেক্ষায় গোলজান বেওয়া

মোহাম্মাদ মানিক হোসেন, চিরিরবন্দর (দিনাজপুর)।। দিনাজপুর চিরিরবন্দর উপজেলার ভিয়াইল ইউনিয়নের রঘুনাথ পুর গ্রামের উত্তর পাড়ায় বাশেঁর খুপরিতে বসবাস গোলজান বেওয়ার। সম্প্রতি সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় একটি ছোট ঘর চাটি বেড়া ও টিনের ছাউনি ,মাটির ভাঙ্গা দেয়াল ,ফুটো টিন ,পলিথিন আর বাঁশের জোড়া তালি দেয়া ঘরে মাথা গোজার ঠাই হয়েছে ওই বৃদ্ধার।
কিন্তু দেশে কোন মানুষ গৃহহীন থাকবে না বলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুতির আলোকে মুজিববর্ষে সম্প্রতি সময়ে কয়েক ধাপে আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় হাজার হাজার ভুমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে মাথা গোজার ঠাঁই করে দিয়েছে সরকার। পেয়েছে জমিসহ পাকা ঘর। কিন্তু এসব ভাগ্যবানদের কাতারে ঘর পাওয়ার নাম আসেনি গোলজান বেওয়ার (৬৮)। মাটি ,চাটি, বাঁশে বেড়া ও টিনের ছাউনি নিচে কোন মতে আশ্রয় নিয়ে থাকছেন এই বৃদ্ধা।
স্থানীয়রা জানান সরকার যদি গোলজান বেওয়াকে যদি একটা পাকা ঘর নির্মাণ করে দিতো তাহলে তার শেষ বয়সে এরকম সীমাহীন কষ্ট সহ্য করতে হত না। তারা আরো জানান, তার ছেলে মেয়ে কেউ তাকে দেখেনা। খাবার দেয়ার মত মানুষ নেই । সে নিজে ভিক্ষা করে মানুষের কাছে চেয়ে খুঁজে খায়।
গোলজান বেওয়া জানান খুব কষ্ট করি খুপুরি টার ভিতর থাকো পানি পড়ে ,ঝড় বাতাস হইলে ভয় নাগে কখন যে ভাঙ্গি পড়ে।খুব কষ্ট করি থাকো বা । দেখার কাহ নাই।তিনটা বেটা মোর ওমারে দিন চলে না দিন আনি দিন খায়।হামরা গরিব মানুষ তাও চেয়ারম্যান মেম্বাররা হামাক কিছুই দেয় না। সারাদিন মানুষের কাছত চায়া খুজি খাও। সরকার যদি মোক একটা নাল টিন আলা বাড়ি গিলা দেইল হায় তাহইলে মুই ভালো করি বাকি জীবনটা কাটানু হায়।
ভিয়াইল ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান নরেন্দ্র চন্দ্র রায় বলেন, গোলজান বেওয়ার সরকারি জমির উপর বাড়ি না থাকায় দেয়া সম্ভব হয়নি। আমার হাতে এখন ঘরের বরাদ্দ নেই্ । আমাকে ভোটার আইডি ও ছবি জমা দিলে পরবর্তীতে ঘরের বরাদ্দ আসলে বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আয়েশা সিদ্দীকা জানান, আমি যতটুকু খোঁজ খবর নিয়ে জানলাম, গোলজান বেওয়ার নিজের জমিতেই তার ওই বাশেঁর খুপরি। তাই আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর দেয়া সম্ভব হয়নি। তবে তার খুপরির ঘর কিভাবে পাকা ঘর নির্মাণ করা যায় তা দ্রূতই ব্যবস্থা নেয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ