• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২৪ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

বনানী থানার ইন্সপেক্টর সোহেল রানা গ্রেপ্তার

সিসি নিউজ ডেস্ক।। রাজধানীর বনানী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সোহেল রানাকে ভারত সীমান্ত এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফের) পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলার চ্যাংড়াবান্দা সীমান্ত থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে। গ্রাহকের টাকা আত্মসাতের দায়ে অভিযুক্ত ই–কমার্স প্রতিষ্ঠান ই–অরেঞ্জের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার ব্যাপারে একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার তদন্তে সম্প্রতি তাঁর নাম এসেছে।

পুলিশের গুলশান বিভাগে উপ-কমিশনার (ডিসি) মো. আসাদুজ্জামান জানান, সোহেল রানাকে গ্রেপ্তারের ব্যাপারে এখনো আমরা আনুষ্ঠানিক ভাবে কোনো তথ্য পাই নাই।

বনানী থানার ওসি নুরে আজম বলেন, শুক্রবার ও শনিবার তিনি অফিস করেননি। তিনি ছুটিও নেননি। তিনি কোথায় আছেন জানি না। ভারতে গ্রেপ্তারের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা তাঁর গ্রেপ্তারের ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক কোনো কিছু জানি না।

পশ্চিমবঙ্গের ইউবিএস নামে স্থানীয় একটি গণমাধ্যমে বলা হয়, সীমান্ত টপকে ভারতে প্রবেশের অভিযোগে শুক্রবার কোচবিহার জেলার চ্যাংড়াবান্দা সীমান্ত থেকে এক বাংলাদেশি নাগরিক শেখ সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে বিএসএফ। আটকের পর তাঁর কাছ থেকে বিদেশি পাসপোর্ট, একাধিক মোবাইল এবং এটিএম কার্ড জব্দ করা হয়েছে। শনিবার মেখলিগঞ্জ থানা-পুলিশের কাছে তাঁকে হস্তান্তর করা হতে পারে বলে জানিয়েছে বিএসএফ। গ্রেপ্তার হওয়া সোহেল রানার পাসপোর্ট থেকে দেখা যায়, তিনি বাংলাদেশের গোপালগঞ্জের বাসিন্দা।

সোহেল রানা গ্রাহকের কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎকারী বহুল আলোচিত ই–কমার্স প্রতিষ্ঠান ই–অরেঞ্জের পৃষ্ঠপোষক। বনানী থানার এই পুলিশ পরিদর্শকের বোন ও ভগ্নিপতি ই–কমার্স প্রতিষ্ঠান ‘ই–অরেঞ্জ’ পরিচালনা করতেন। মাসের পর মাস পণ্য না পাওয়ায় ই–অরেঞ্জের বিরুদ্ধে গত ১৭ আগস্ট মামলা করেন গ্রাহক মো. তাহেরুল ইসলাম। ওই সময় তাঁর সঙ্গে প্রতারণার শিকার আরও ৩৭ জন উপস্থিত ছিলেন। গ্রাহকের ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ওই মামলা হয়।
আসামিরা হলেন ই–অরেঞ্জের মালিক সোনিয়া মেহজাবিন, তাঁর স্বামী মাসুকুর রহমান, আমানউল্ল্যাহ, বীথি আক্তার, কাউসার আহমেদ এবং পুলিশের বনানী থানার পরিদর্শক সোহেল রানা। অরেঞ্জ বাংলাদেশ নামে প্রতিষ্ঠান খুলতে নেওয়া টিআইএন সনদে পরিচালক হিসেবে সোহেল রানার নাম দেখা যায়। প্রতিষ্ঠানটি থেকে বিভিন্ন সময়ে আড়াই কোটি টাকা তুলে নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। উৎস: আজকের পত্রিকা


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ