• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫২ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

মিলাদের পোলাও খেয়ে অর্ধশতাধিক নারী-পুরুষ অসুস্থ

জয়পুরহাট প্রতিনিধি ।। জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার বেলখুর গ্রামে মিলাদের তবারক (পোলাও) খেয়ে তিন গ্রামের প্রায় অর্ধশতাধিক মানুষ অসুস্থ্য হয়েছেন। গত শুক্রবার বিকালে ওই পোলাও খাওয়ার পর শনিবার রাত থেকে রোবরার দুপুর পর্যন্ত পাঁচবিবি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৪১ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সোলায়মান মেহেদী স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানান, বেলখুর গ্রামে এক মৃত ব্যক্তির উদ্দেশ্যে শুক্রবার দুপুরে গ্রামের মসজিদে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। পরে সেখানে আমন্ত্রিত অতিথীদের পোলাও খাওয়ানো হয়।
সেই পোলাও খেয়ে বাকিলা, পানিখুর ও বেলখুর গ্রামের অর্ধশতাধিক নারী-পুরুষ বমি, পাতলা পায়খানা ও পেট ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বলে তিনি জানান ।

পাঁচবিবি উপজেলার বেলখুর গ্রামের আব্দুস সামাদ মন্ডল ও মল্লিক বলেন, কিছুদিন আগে বেলখুর গ্রামের বজলুর রহমান নামে এক ব্যক্তি মারা যান। মৃত বজলুর রহমানের আত্মার মাগফেরাত উপলক্ষ্যে শুক্রবার স্থানীয় মসজিদে দোয়া মাহফিল শেষে পোলাও খানোয়ানোর পর শুক্রবার রাত থেকে অনেক মানুষের ডায়েরীয়া শুরু হয়।

পাঁচবিবি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হওয়া রোগী বেলখুর গ্রামের শাপলা বেগম (৩০), পার্শ্ববর্তী বাঁকিলা গ্রামের রেহেনা বেগমসহ অনেক রোগী জানান, ডায়েরিয়া শুরু হওয়ার পর প্রথমে তারা বাড়িতে চিকিৎসা নেন। এরপরও অবস্থার অবনতি ঘটলে তারা হাসপাতালে ভর্তি হন।

এ দিকে হঠাৎ করে শনিবার রাত থেকে এখন পর্যন্ত ৪১ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হলে রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় হিমশিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসকদের। বেড না থাকায় হাসপাতালের মেঝেতেও অনেককে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে বলেও জানান উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সোলায়মান মেহেদী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ