• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২৭ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

ভোগান্তির শিকার বিমার গ্রাহকরা

সিসি নিউজ ।। বিমার মেয়াদোর্ত্তীণ হওয়ার পরও নীলফামারীর প্রায় ৫ শতাধিক গ্রাহক গচ্ছিত টাকা ফেরত পাচ্ছেনা। অপরদিকে রাতারাতি শহর থেকে অফিস গুটিয়ে নেয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছে প্রায় ৩ হাজার গ্রাহক। ফলে বিমার টাকা ফেরত পেতে গ্রাহকরা ছুটছে ৫৫-৬০ কিলোমিটার দূরে রংপুর বা পঞ্চগড় অফিসে। এ অভিযোগ পদ্মা ইসলামী লাইফ ইন্সুরেন্স লিমিটেড নামের এক বিমা কোম্পানির বিরুদ্ধে।

ডিপিএস পলিসি গ্রাহক ছবিতা রানী ও লোকনাথ রায়ের বাড়ি দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার হাসিমপুর গ্রামে। কোম্পানীর সৈয়দপুর অফিসের মাধ্যমে বিমা পলিসি করেছেন, যা ২০১৮ সালে ম্যেচুরিটি মেয়াদ শেষ হয়েছে। তারা জানান, মেয়াদ শেষ হওয়ার তিন বছর অতিবাহিত হলেও অদ্যাবধি নির্বাহী রশিদ এবং প্রিমিয়ামের টাকা পরিশোধ করেনি কর্তৃপক্ষ। এ বিষয়ে ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ঢাকাস্থ ইন্সুরেন্সের প্রধান কার্যালয়ের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেও এর কোন প্রতিকার পায়নি।

মহিলা মাঠ কর্মী কবিতা রানী জানান, তাঁর অধিনে বিভিন্ন মেয়াদের ৪০০ পলিসি গ্রাহক রয়েছে। অফিস বন্ধ হওয়ায় বড় বিপদে রয়েছি। পলিসি গ্রাহকের কাছে প্রিমিয়ারের টাকা উত্তোলন করতে গিয়ে লাঞ্চিত হয়েছি বেশ কয়েকবার। সমস্যা সমাধানে রংপুর ও পঞ্চগড় অফিসে যাতায়াতে এখন ঋণের জালে পড়েছি।

কোম্পানির সৈয়দপুর ব্রাঞ্চ ম্যানেজার মোমেনুল ইসলাম জানান, কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের লিখিত আদেশে ২০১৯ সালের জানুয়ারী মাস থেকে এ অফিস বন্ধ করা হয়। ওই সময় নীলফামারী জেলা অফিসের সাথে সম্বনয় করা হলেও প্রায় ৭/৮ মাস পর রাতের আঁধারে উধাও হয়ে যায় অফিসটি। এতে প্রায় ৩ হাজার গ্রাহক ভোগান্তিতে পড়ে। বন্ধ হয়ে যায় কোম্পানির কার্যক্রম। তিনি জানান, অফিস না থাকায় গ্রাহকের কাছে মাসিক বা বাৎসরিক প্রিমিয়াম আদায় বন্ধ হয়ে গেছে। এতে অনেক মাঠকর্মী উত্তেজিত গ্রাহকের হাতে লাঞ্চিত হওয়ার কথা স্বীকার করেন তিনি।

বিমা উন্নয়ণ ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের আইন বিষয়ক জুনিয়র অফিসার মুহাম্মদ শাসছুল আলম এ বিষয়ে জানান, পদ্মা ইসলামী লাইফ ইন্সুরেন্স লিমিটেডের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসছে। তিনি বিষয়টি উর্ধতণ কর্তৃপক্ষর সাথে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন।

বিমা উন্নয়ণ ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের আইন (পরিদর্শন ও পরিবীক্ষণ) বিষয়ক অফিসার রশিদুল আহসান হাবিবের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি মিটিংয়ে রয়েছেন বলে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ