• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১৪ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

কাঁদল নিউজিল্যান্ড, শিরোপা অস্ট্রেলিয়ার

সিসি নিউজ ডেস্ক।। টস জয় তো ম্যাচ জয়! এবারের বিশ্বকাপে এটিই হয়ে আসছিল। বিশেষ করে দুবাইয়ে। এই ভেন্যুতে ১২ ম্যাচের ১০ টিতেই যে টস জয়ী দল জয় নিয়ে ফেরে। ফাইনালেও তাই টস জিতে বোলিং নিতে দুইবার ভাবেননি অ্যারন ফিঞ্চ। অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়কের সেই সিদ্ধান্ত সঠিক প্রমাণ করে প্রথমবারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা ঘরে তুলেছে অজিরা। আসল বিশ্বকাপে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের আক্ষেপটা শেষ পর্যন্ত ঘুচেছে মিচেল মার্শ-ডেভিড ওয়ার্নারদের হাত ধরে।

টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে অস্ট্রেলিয়ার সামনে ১৭৩ রানের বড় সংগ্রহই দাঁড় করিয়েছিল নিউজিল্যান্ড। তবে কিউইদের এই লক্ষ্য পেরিয়ে যেতে খুব একটা বেগই পেতে হয়নি অজিদের। যদিও শুরুতে বিপদের শঙ্কা জাগিয়ে বিদায় নেন ফিঞ্চ। সেমিফাইনালের পর ব্যাটিংয়ে আরেকবার ব্যর্থ ফিঞ্চ ফিরে গেছেন ৫ রান করে। তবে দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে অজিদের ম্যাচে রাখার সঙ্গে ট্রেন্ট বোল্ট-টিম সাউদির হতাশা বাড়িয়ে যান ওয়ার্নার-মার্শ।

 

সেমিফাইনালের পর আরেকবার ব্যাটিংয়ে জ্বলে ওঠেন ওয়ার্নার। তিনে নামা মার্শের সঙ্গে গড়ে তোলেন ৯২ রানের জুটি। সেমিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে এক রানের জন্য ফিফটি মিস করলেও আজ ৫৩ রান করে অস্ট্রেলিয়ার জয়ের ভিত গড়ে দেন ওয়ার্নার। এই বাঁহাতি ওপেনারের বিদায়ের অস্ট্রেলিয়ার আশার আলো হয়ে টিকে ছিলেন মার্শ। মিডলঅর্ডার থেকে উঠে এসে এ বছর তাঁকে তিনে খেলাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া। বিশ্বকাপের প্রথম দিকে একাদশে জায়গা না পেলেও সুযোগ পাওয়ার পর থেকেই দুই হাত পুরে নিয়েছেন মার্শ।

তৃতীয় উইকেটে গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকে নিয়ে আরও কোনো বিপদ বাড়তে দেননি মার্শ। দুজনের আরেকটি দুর্দান্ত জুটিতে প্রথমবারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা জেতে। দুজনের অমীমাংসিত জুটি থেকে আসে ৬৬ রান। মার্শ ৫০ বলে ৭৭ রান করে অপরাজিত থাকেন। ১৮ বলে ২৮ রান করে অপরাজিত থাকেন মার্শের সঙ্গী ম্যাক্সওয়েল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ