• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৩ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

খানসামার সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ডাঃ গোবিন্দের মানবেতর জীবনযাপন

এস. এম. রকি, খানসামা (দিনাজপুর)।। দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার ৫নং ভাবকী ইউনিয়ন পরিষদের ৩ বারের নির্বাচিত সাবেক সফল চেয়ারম্যান এবং বর্ষিয়ান ও প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা প্রায় শতবর্ষী ডাঃ বাবু গোবিন্দ চন্দ্র রায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন। শয্যাশয়ী হয়ে বসবাস করছেন একটি জরাজীর্ণ ঘরে। ক্ষমতায় থেকেও লোভের মোহে না পড়ে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে ছাত্রলীগ থেকে শুরু করে এখনও
বাংলাদেশের আওয়ামী লীগের সাথে জড়িত।

তিনি আওয়ামী লীগের একজন কর্মী হওয়ায় শেষ ইচ্ছে হিসেবে বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে দু’মিনিট মুঠোফোনে কিংবা ভিডিও কলে কথা বলতে চান।

জানা যায়, ডাঃ গোবিন্দ চন্দ্র রায় ১৯২৭ সালে খানসামা উপজেলার গুলিয়ারা গ্রামের বানিয়া পাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা মৃত নরেন্দ্র নাথ রায় (মুহুরী) ও মা মৃত গৌর মণি। ১৯৫৭ সালে বগুড়া প্যারামেডিকেল কলেজ থেকে পাশ করে বাড়িতে এসে কাচিনীয়া বাজারে উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চাকুরি করেন। এরপর প্রত্যন্ত এলাকায় শিক্ষা ছড়িয়ে দিতে কাচিনীয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজসহ বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন। এজন্য তিনি কাচিনীয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাকালীন থেকে বর্তমান পর্যন্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। ১৯৭২ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত খানসামা উপজেলার ভাবকি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সফলতার সাথে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি চেয়ারম্যান থাকাকালীন তাঁর সততার ঘটনাগুলো আজও মানুষের মুখে মুখে রয়েছে। তিনবার চেয়ারম্যান হয়ে তিনি জনগণের কল্যাণে কাজ করেছেন। এখন তাঁর ৯৫ বছর বয়স। জীবনের শেষ প্রান্তে এসে খুব কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন। জরাজীর্ণ একটি ঘরে তিনি বসবাস করছেন। তাঁর দুই ছেলে ও দুই মেয়ে। সন্তানদের আর্থিক অবস্থাও তেমন ভালো না। তারপরও সন্তানদের উপার্জনে বৃদ্ধ বয়সের নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে বিছানায় শুয়ে মানবেতর জীবযাপন করছেন।

ডাঃ বাবু গোবিন্দ চন্দ্র রায় বলেন, ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের দায়িত্বে থাকাকালীন বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ করে জনগণের কল্যাণে কাজ করেছি। নিজের জন্য অট্টালিকা কিংবা সম্পদ গড়ার চিন্তাভাবনা কখনোই আমার মাঝে কাজ করেনি। বঙ্গবন্ধুর সাথে হাত মেলানোর সুযোগ হয়েছিল। দিনাজপুরের সাবেক সাংসদ ও বর্ষীয়ান আওয়ামী লীগ নেতা এম. আঃ রহিম ও আঃ রউফের সাথে একসাথে রাজনীতি করেছি। তবে কখনো কারো কাছে হাত পাতি নি। শুধু শেষ জীবনের একটাই ইচ্ছা আমাদের বঙ্গবন্ধু কণ্যা শেখ হাসিনার সাথে দু’মিনিট কথা বলতে চাই। কথা বলতে পারলে আমার রাজনৈতিক জীবন সার্থক হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ