• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১৩ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

নীলফামারীতে বসন্ত বরণে ৪০ লাখ টাকার ফুল বিক্রির টার্গেট

।। এস এম জামান ।। করোনায় বিগত দু’বছর লোকসানের পর এবার আশার আলো দেখছে নীলফামারীর ফুল ব্যবসায়ীরা। বসন্ত ও ভালোবাসা দিবসের আগমুহূর্তে দ্বিগুণ বেড়েছে ফুলের দাম। রোববার সকাল থেকে ফুলের দোকানে বিক্রি হচ্ছে নানা জাতের ফুল। ইতোমধ্যে প্রায় ১৫ লাখ টাকার ফুল আমদানি করেছে এখানকার ফুল ব্যবসায়ীরা। চাহিদা অনুযায়ী আগামী দু’দিনে আরও ১০ লাখ টাকা ফুল আমদানির সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।

ব্যবসায়ীদের দেয়া তথ্য মতে, জেলায় ২০টির মতো ফুলের দোকান রয়েছে। এরমধ্যে নীলফামারী ও সৈয়দপুর শহরে রয়েছে ১৪টি ফুলের দোকান। এসব দোকানে দেশি ও থাই গোলাপ, রজনীগন্ধা, গাঁদা, গ্লাডিওলাস, জারবেরা ফুলের পসরা সাজিয়ে বসে আছে ব্যবসায়ীরা। বসন্ত ও ভালোবাসা দিবসে ফুলের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় প্রায় দ্বিগুণ দরে বিক্রি হচ্ছে ফুল। রোববার দুপুরে জেলা শহরের ফুলের দোকান ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিটি দেশি গোলাপ ৩০ টাকা, থাই গোলাপ ৫০ টাকা, গ্লাডিওলাস ২০-২৫ টাকা, রজনীগন্ধা ১৫ টাকা, জারবেরা ২৫-৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

সৈয়দপুর শহরের পাপন ফুল বিতান-এর মালিক মবিনুল ইসলাম এ্যাপোলো জানান, গত শনিবার থেকে ফুল বিক্রি বেড়েছে। যশোর থেকে আমদানি করা ফুলের পাশাপাশি নিজের বাগানের ফুল রয়েছে তাঁর দোকানে। চাহিদা বেশি থাকায় পাইকারী বাজারেও ফুলের দাম বেড়ে গেছে। পঞ্চগড় থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে টিউলিপ ফুল। প্রতি পিস টিউলিপ ১৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তিনি জানান, করোনাভাইরাসের সংক্রমণজনিত কারণে গত দুই বছর থেকে পহেলা ফাল্গুন ও ভালোবাসা দিবসে আশানুরূপ ব্যবসা করতে পারিনি। বর্তমানে করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতি কিছুটা কম থাকায় এবারে ফুলের বেচাকেনা ভালো হতে পারে। ব্যবসায়ীরা আগে থেকেই ফুল মজুদ করেছে। এবারে জেলায় ৪০ লাখ টাকার ফুল বিক্রির সম্ভাবনা রয়েছে।

নীলফামারী শহরের পৌর মার্কেটে ফুল কিনতে আসা আনিছুর রহমান জানান, ৫০ টাকা দরে চারটি থাই গোলাপ ও ১৫ টাকা দরে কিছু রজনীগন্ধা কিনেছি। সহধর্মিনী ও সন্তানদের প্রতি ভালোবাসা জানাতে আগাম কিনে নিয়ে যাচ্ছি। সোমবার (১৪ ফেব্রুয়ারী) এটির দাম আরো বেড়ে যাবে বলে মনে হচ্ছে। তিনি জানান, বসন্ত উৎসব ও ভালোবাসা দিবসকে ঘিরে প্রতিবছরই স্বজনদের ফুল উপহার দিয়ে থাকেন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের নীলফামারী জেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোছা: হোমায়রা মন্ডল জানান, নীলফামারীর মাটি ফুল চাষাবাদের জন্য উপযোগি। ইতিমধ্যে ফুলের ব্যবসায়ী ও আগ্রহী চাষীদের নিয়ে গাইবান্ধার বিভিন্ন ফুলের বাগান পরিদর্শন করা হয়েছে। এরপর ক্ষুদ্র আকারে জেলার সৈয়দপুর ও কিশোরগঞ্জ উপজেলায় ফুল চাষাবাদ শুরু হয়েছে। ফুল চাষাবাদে উদ্যোক্তা তৈরীতে সকল ধরনের সুযোগ-সুবিধা দিতে কৃষি বিভাগ প্রস্তুত রয়েছে। এতে ফুলের স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বাইরে থেকে আমদানী নির্ভর কমে যাবে নিশ্চিত।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ