• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫৩ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

মায়ের চিকিৎসার দায় না নেওয়ায় বাবাকে খুন: পুলিশ

সিসি নিউজ ডেস্ক ।। দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিস ও হাঁপানিসহ নানারকম অসুখে ভুগছিলেন মো. শেখ সেলিমের (৭০) স্ত্রী। পরিবারে অর্থনৈতিক সচ্ছলতা থাকা সত্ত্বেও স্ত্রীর চিকিৎসার ব্যাপারের অনেকটাই উদাসীন ছিলেন তিনি। এ নিয়ে গতকাল বুধবার সকালে ছেলে মো. শেখ নাসিরের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয় সেলিমের।

একপর্যায়ে পান বাঁটার বড় হামানদিস্তা দিয়ে বাবার মাথায় আঘাত করেন নাসির। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান নাসিরের বাবা মো. শেখ সেলিম। তাঁর গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে।

এ ঘটনার পর বুধবার দুপুর আড়াইটার দিকে নিজেই ভাটারা থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন শেখ নাসির। বাবাকে হত্যার পর তিনি থানায় গিয়ে বলেন, ‘আমি আমার বাবাকে খুন করেছি। আমাকে শাস্তি দিন।’ এ ঘটনায় রীতিমতো অবাক পুরো থানার পুলিশ কর্মকর্তারা। বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বি-ব্লকের ১৮৫ নম্বর বাসার দোতলা থেকে মো. শেখ সেলিমের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়।

ভাটারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুর রহমান বলেন, ‘তাঁর নামে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার তাঁকে আদালতে হাজির করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি নেওয়ার আবেদন করা হয়েছে। জবানবন্দি নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।’

ওসি বলেন, ‘নিহত শেখ সেলিম ঠিকাদারি করতেন। শেখ নাসির তাঁর সঙ্গেই পাথর সরবরাহের ব্যবসা করতেন।’

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে সাজেদুর রহমান জানান, নাসিরের মা দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিল। মায়ের চিকিৎসার দায় না নেওয়া এবং অনীহা দেখানোয় রাগের বশে নাসির তাঁর বাবার মাথায় আঘাত করে। তবে বাবাকে হত্যার কোনো পরিকল্পনা তার ছিল না।

ওসি সাজেদুর রহমান বলেন, ‘ঘটনাটা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কেও নিশ্চিত হওয়া যাবে।’

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ভাটারা থানার এসআই মো. আলী সৈকত আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বলেন, ‘নাসিরের ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি নেওয়া হচ্ছে। জবানবন্দি নেওয়ার পর আদালত তাঁর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।’ উৎস: আজকের পত্রিকা


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ