• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০৩ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

লিটারে ৮ টাকা কমলো সয়াবিন তেলের দাম

সিসি নিউজ ডেস্ক ।। আমদানি পর্যায়ে ভ্যাট কমানো এবং স্থানীয় উৎপাদন ও ব্যবসায়ী পর্যায়ে ভ্যাট প্রত্যাহারের পর ভোজ্যতেলের দাম কমালো বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। রোববার ভোজ্যতেল পরিশোধনকারী কোম্পানিগুলোর সঙ্গে বৈঠক করে বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম লিটারে আট টাকা এবং খোলা সয়াবিন তেলের দাম ছয় টাকা কমিয়ে নতুন দর নির্ধারণ করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

এখন থেকে এক লিটারের বোতলজাত সয়াবিকন তেল ১৬০ টাকা, পাঁচ লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেল ৭৬০ টাকা এবং প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেল ১৩৬ টাকা দরে বিক্রি হবে।

ভোজ্যতেলের পরিশোধনকারী কোম্পানির প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের পর বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে নতুন দর ঘোষণা করেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের জেষ্ঠ সচিব তপন কান্তি ঘোষ। তিনি বলেন, নতুন করে নির্ধারণ করা দাম আগামীকাল সোমবার থেকে মিলগেটে কার্যকর হবে। বাজারে এটি কার্যকর হতে আরও ৫-৭ দিন সময় লাগবে।

তিনি বলেন, পাম তেলের দাম এখনও ঠিক হয়নি। পাম তেলের বিষয়ে আমাদের আরও কিছু তথ্য ও হিসাব নিকাশের বিষয় আছে। আগামী ২২ মার্চ মিল মালিকদের সঙ্গে আবার বৈঠক হবে। ওই বৈঠকে পাম অয়েলের দাম নির্ধারণ করা হবে। সংবাদ সম্মেলনে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচির(অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য) এ এইচ এম সফিকুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গত ৭ ফেব্রুয়ারি বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে বোতলজাত প্রতিলিটার সয়াবিন তেলের মূল্য ১৬৮ টাকা এবং পাঁচ লিটারের বোতল ৭৯৫ টাকা নির্ধারণ করেছিল। আর খোলা তেলের মূল্য নির্ধারণ করেছিল প্রতি লিটার ১৪৩ টাকা। ওই সময় পাম তেলের প্রতি লিটারের দাম নির্ধারণ করা হয় ১৩৩ টাকা। এরপর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হলে ব্যবসায়ীরা গত ২৭ ফেব্রুয়ারি সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ১২ টাকা বাড়িয়ে মূল্য নির্ধারণের প্রস্তাব করে। যদিও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বাড়তি দামের প্রস্তাবে সায় দেয়নি। তবে ব্যবসায়ীরা বাজারে ভোজ্যতেলের সরবরাহ কমিয়ে দেয়।

খোলা সয়াবিন ও পাম তেল অনেক বাজারে পাওয়া যায়নি। বোতলজাত তেলও অনেক জায়গায় কম পাওয়া যায়। আবার কোনো কোনো কোম্পানি ভোজ্যতেলের সঙ্গে অন্য পণ্য কেনার শর্ত দিয়ে বেচাকেনা করে। এরপর প্রথমে সয়াবিন ও পাম তেলের স্থানীয় উৎপাদন পর্যায়ে থাকা ১৫ শতাংশ ও ব্যবসায়ী পর্যায়ে থাকা ৫ শতাংশ ভ্যাট প্রত্যাহার করে সরকার। সবশেষে গত ১৫ মার্চ আমদানি পর্যায়ে থাকা ১৫ শতাংশ ভ্যাট কমিয়ে ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়। আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা পাবেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ