• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২১ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

মিতালি এক্সপ্রেসের ভাড়া কমানোর দাবি

সিসি নিউজ ডেস্ক ।। দেশের পর্যটকরা সড়ক ও রেলপথে (স্থলপথ) ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা চালুর দিকেই তাকিয়ে রয়েছেন। কিন্তু এখনও এই কার্যক্রম শুরু করা হয়নি। এতে স্থল পথে পর্যটকরা সড়ক ও ট্রেনে ভারত ভ্রমনে যেতে পারছেন না। এদিকে ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা চালু না হওয়ায় ২৬ মার্চ হতে ঢাকা ক্যান্টনমেন- নীলফামারীর চিলাহাটি-ভারতের কোচবিহারের হলদিবাড়ি হয়ে নিউজলপাইগুড়ি (এনজিপি) পর্যন্ত আন্তঃদেশীয় মিতালি এক্সপ্রেস ট্রেন আপাতত চালু হচ্ছেনা বলে আভাস পাওয়া গেছে। সুত্র মতে স্থলপথে ভারতীয় ট্যুরিস্ট ভিসা চালু হলেই মিতালি এক্সপ্রেস চলাচল শুরু করবে। তবে সুত্রটি বলছে আশা করা হচ্ছে আগামী এপ্রিল মাসে অর্থ্যাৎ বাংলা নববর্ষে মিতালি চলাচল করার সম্ভবনা রয়েছে। এদিকে মিতালির যে ভাড়া রেল মন্ত্রনালয় ঘোষণা করেছে তা নিয়ে পর্যটকদের নিরাশ করেছে। ভাড়া কমানোর দাবিও করা হচ্ছে।
আজ মঙ্গলবার চিলাহাটি রেলষ্টেশন পরিদর্শন করেছেন পশ্চিমাঞ্চল রেলের চিপ কর্মাসিয়াল অফিসার শহিদুল ইসলাম। তিনি উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন স্থলপথে ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা চালু হবে কিছু দিনের মধ্যেই। এটি চালু হলেই মিতালি এক্সপ্রেস আগামী মধ্য এপ্রিল হতে নিয়মিত চলাচল শুরু করবে। চিলাহাটি রেলষ্টেশনে মিতালি এক্সপ্রেসের যাত্রীদের সুবিধা প্রদানে আমরা কি কি রাখতে পারি সে বিষয়ে আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি।

ট্রেনটি চালু হওয়ার খবরে দুই দেশের মধ্যে এখন খুশির হাওয়া। মিতালি চালু হলে এখন সরাসরি ট্রেনে সহজেই যাওয়া যাবে। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি ট্রেনটি চালুর খবরে খুশি শিল্প মহলও। তবে ভাড়া নিযে খটকা রয়েছে অনেকের মধ্যেই। ডলার প্রতি বাংলাদেশের ৮৭ টাকা হিসেবে এসি বার্থের ভাড়া ৪ হাজার ৯০৫ টাকা। এসি সিট এবং এসি চেয়ারের ভাড়া যথাক্রমে ৩ হাজার ৮০৫ এবং ২ হাজার ৭০৫ টাকা। ডলারের হিসেব ধরলে ভারতীয় মূল্যে টিকিটের দামে সামান্য হেরফের হবে।
অনেকে বলছেন পর্যটনের প্রসার এবং দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক নিবিড় করার লক্ষ্যে যখন ট্রেনটি চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তখন ভাড়া আরও কম হওয়া উচিত বলে মনে করছেন দুই দেশের পর্যটন ব্যবসায়ীরা। পর্যটন ব্যবসায়ীরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, সড়কপথে চ্যাংরাবান্ধা হয়ে ঢাকায় যেতে এসি বাসে ১ হাজার ২০০ টাকা এবং ফুলবাড়ি বা বাংলাবান্ধা হয়ে যেতে ১ হাজার ৬০০ টাকা বাসভাড়া লাগে। সেখানে ট্রেনের ভাড়া প্রায় তিনগুণ। ঝক্কি কম পোহাতে হলেও এত টাকা ভাড়া দিয়ে কি সবার পক্ষে ট্রেন যাত্রা সম্ভব? প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই।

প্রসঙ্গতঃভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে ১৯৬৫ সালের ৬ সেপ্টেম্বর চিলাহাটি-হলদিবাড়ি রেলপথ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। রেলপথটি বন্ধ হবার পূর্বে এই পথে দার্জিলিং মেইল ও পার্সপোট ট্রেন দুটি নিয়মিত চলাচল করতো।বর্তমান সরকারের প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর এই রেলপথ পুনরায় চালু করেন। উৎস: দৈনিক জনকন্ঠ


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ