বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি ।। দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলায় ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকবাহিনী ও রাজাকারদের দৌরাত্বে নবাবগঞ্জ উপজেলায় মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন বিভিন্ন পেশা জীবিদের গণহত্যা ও গুম এবং শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে তিনটি ৭১ চত্তর উদ্বোধন করা হয়েছে।
২৬মার্চ শনিবার বিকেলে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে নবাবগঞ্জ উপজেলার পুটিমারা ইউনিয়নের মতিহারা গ্রামের বিশিষ্ট্য শিক্ষানুরাগী আইয়ুব আলী সরদার ও তার দুই পুত্র আবুল কাশেম সরদার ও মতিয়ার রহমান সরদার অপর জন ভাতিজা আলতাফ সরদার ১৯৭১সালের ২৫ অক্টোবর মতিহারা গ্রামের সরদার পাড়া থেকে পাকসেনারা তাদেরকে গুম করে পাশ্ববর্তী ঘোড়াঘাট উপজেলার বলাহার পাকক্যাম্পে নিয়ে গিয়ে গণহত্যা করে। তাদের স্মরণে মতিহারা স্মৃতিফলক ১৯৭১শুভ উদ্বোধন করেন, জনতা ব্যাংক লিঃ এর পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. এসএম মাহফুজুর রহমান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনিমেষ সোম, জনতা ব্যাংকের এমডি এন্ড সিইও বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম আজাদ, ব্যাংকের পরিচালক মেসকাত আহম্মেদ চৌধুরী, রুবিনা আমিন, আঃ মজিদ, জিয়া উদ্দিন আহম্মেদ, আসাদুল্লাহ, একেএম সামসুল আলম, দাউদপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ হাবিবুর রহমান হাবিব, পুটিমারা ইউপি চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান, বিশিষ্ট্য সমাজ সেবক খাইরুল আনাম সরদার প্রমুখ।
এর আগে দাউদপুর ইউনিয়নের খয়েরগণি গ্রামের ১৯৭১সালের ২২ জুলাই গণহত্যায় ২জন প্রাণ বিসর্জন দেন ও ২২ জনকে পাক সেনা ও তাদের দোশররা বিরামপুর ক্যাম্পে নিয়ে এসে গণহত্যা করেন। খয়েরগণি গ্রামে শহীদের স্মরণে খয়েরগণি স্মৃতিফলক ১৯৭১ শুভ উদ্বোধন করা হয়।
১৯৭১ সালের ডিসেম্বর মাসে দাউদপুর ও ভাদুরিয়ার মধ্যবর্তী স্থানে মিত্র বাহিনী ও মুক্তি বাহিনী এবং পাক বাহিনীর মধ্যে বয়াবহ যুদ্ধ সংগঠিত হয়। এই যুদ্ধে মিত্র বাহিনী ও মুক্তি বাহিনীর বহু সংখ্যক যোদ্ধা শহীদ হন। শহীদদের স্মরণে দাউদপুরের বৈরাগীপাড়ায় স্ব-স্ব ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী শেষ বিদায় জানানো হয়। দাউদপুর স্মৃতিস্তম্ভ ১৯৭১ উদ্বোধন করেন, জনতা ব্যাংকের এমডি এন্ড সিইও বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম আজাদসহ জনতা ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ।