শুক্রবার (১লা এপ্রিল) উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যাপক খায়রুল আলম বাবূল স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলনকে কেন্দ্র করে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরন্নবীসহ সকল মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে বাক-বিতন্ডার এক পর্যায়ে মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মানসহ লাঞ্চিত করে উপজেলা চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক তোফায়েল আহমেদ।
বিষয়টি বিভিন্ন গনমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রিয় কমিটির সভাপতি জননেত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টিগোচর হয় । গত বৃহস্পতিবার(৩১ মার্চ) জেলা আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রিয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও রংপুর বিভাগের দায়িত্বে নিয়োজিত সাখাওয়াত হোসেন শফিক আওয়ামী লীগের কেন্দ্রিয় সভাপতি জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে রাত সোয়া বারোটার দিকে বর্ধিত সভায় ডোমার উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে উদ্বত্তপূর্ন আচরনের কারনে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক তোফায়েল আহমেদকে দলীয় পদ থেকে অব্যহতির ঘোষনা প্রদান করেন বলে প্রেসবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়।
জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য শাহিদ আহম্মেদ শান্তু বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রিয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও রংপুর বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা সাখাওয়াত হোসেন শফিক দলীয় পদ থেকে উপজেলা চেয়ারম্যানকে অব্যাহতির ঘোষনা দিয়েছেন।
জানতে চাইলে উপজেলা চেয়ারম্যান তোফায়েল আহমেদ বলেন, আমি সব সময় মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান করে চলি। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কারনেই আমারা একটি পতাকা পেয়েছি। ২৬ মার্চে আমি কোন মুক্তিযোদ্ধার সাথে খারাপ আচরন করিনি।তাদের সাথে খারাপ আচরনের কোন প্রশ্নই আসেনা। দলীয় প্রতিপক্ষরা আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার করে আমার ও দলের সম্মানহানি করার চেষ্টা করছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপজেলা নির্বাচনে আমাকে নৌকা প্রতিক উপহার দিলে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যাপক খায়রুল আলম বাবুল প্রকাশ্যে নৌকার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে মোটর সাইকেল প্রতিকের পক্ষে নির্বাচন করে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধচারন করেছিল।