• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৬ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

তিস্তা নদীর পানি ফের বিপৎসীমার উপরে

সিসি নিউজ।। উজানের ঢলে তিস্তা নদীর পানি আবারও বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বুধবার (২৯ জুন) বিকেল ৩টায় তিস্তা ব্যারাজের ডালিয়া পয়েন্টে পানিপ্রবাহ রেকর্ড করা হয়েছে ৫২ দশমিক ৬৭ সেন্টিমিটার, যা বিপৎসীমার ৭ সেন্টিমিটার ওপরে। এ পয়েন্টে বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ৬০ সেন্টিমটার।

পানি উন্নয়ন বোর্ড ডালিয়া বিভাগের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বুধবার সকাল ৯টায় তিস্তা নদীর ডালিয়া পয়েন্টে পানির প্রবাহ রেকর্ড করা হয়েছিল ৫২ দশমিক ৫৫ সেন্টিমিটার। যা দুপুর ১২টা ৫২ দশমিক ৬২ এবং বিকেল ৩টায় ৫২ দশমিক ৬৭ সেন্টিমিটার। সূত্রটি আরো জানায়, গত কয়েকদিন ধরে পানি কমতে থাকলেও বুধবার দুপুর থেকে বিপৎসীমার উপরে প্রবাহিত হচ্ছে। এভাবে পানি বাড়তে থাকলে বন্যার আশঙ্কা করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড(পাউবো)।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আসফাউদ্দৌলা বলেন, সকাল থেকে তিস্তার পানি বেড়ে বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। দুপুর ১২টা থেকে বিপৎসীমার উপরে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি সামাল দিতে ব্যারাজের ৪৪টি গেট খুলে রাখা হয়েছে। বড় ধরনের সমস্যা মোকাবিলায় পাউবোর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সজাগ রয়েছেন বলে জানান তিনি।

টেপাখড়িবাড়ি ইউপি চেয়ারম্যান ময়নুল হক জানান, চলতি বর্ষা মৌসুমে গত মঙ্গলবার (২১ জুন) সন্ধ্যা ৬টায় ডালিয়া পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার সর্বোচ্চ ৩১ সেন্টিমিটার উপরে ছিল। এতে তিস্তা নদীর পানি উপচে নদীবেষ্টিত ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ি, গয়াবাড়ি, টেপাখড়িবাড়ি, খালিশাচাঁপানী, ঝুনাগাছ চাঁপানী এলাকার কয়েকটি গ্রামের মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়ে। পরে দফায় দফায় পানি কমতে শুরু করলে এসব বাড়িঘর থেকে পানি নেমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে থাকে। কিন্তু আবারও পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে এসব পানিবন্দি পরিবারের।

এদিকে খগা খড়িবাড়ী ইউনিয়নের কিসামতের চরের বাসিন্দা নুরুল ইসলাম জানান, কোরবানির হাটে বিক্রির জন্য পালিত গরুগুলো খাদ্য স্যকটে পড়েছে। দীর্ঘ সময় তৃণভূমিগুলো পানিতে ডুবে থাকায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এতে বাড়তি খাবারের জন্য বাজার থেকে গো-খাদ্য কিনতে হচ্ছে। ফলে কোরবানির হাটের জন্য প্রস্তুত করা এসব গরুর পেছনে অতিরিক্ত খরচ হওয়ায় অনেকে লোকসানের মুখে পড়বে।

ডিমলা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মেজবাহুর রহমান জানান, বন্যা কবলিত এলাকায় পানিবন্দি পরিবারের মাঝে ইতিমধ্যে ২৫ মেট্রিক টন চাল ও কিছু শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন জানান, বন্যাসহ যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সব রকম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। পানিবন্দি পরিবারগুলোর সার্বক্ষণিক খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ