• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৫ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

সৈয়দপুরে স্মৃতিসৌধ নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী, কাজ বন্ধ করে দিলেন ইউএনও

সিসি নিউজ ।। নিম্নমানের সিমেন্ট ও ইট ব্যবহারের অভিযোগে নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার স্মৃতিসৌধের সড়ক ও সুরক্ষাপ্রচীরের নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে সৈয়দপুর  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীম হুসাইন সরেজমিনে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় নির্মাণকাজ বন্ধ করে তা গুড়িয়ে দেন।
জানা যায়, উপজেলা পরিষদের ২০২১-২০২২ অর্থ বছরে ৬ লাখ ৯৯ হাজার টাকা ব্যয়ে  ওই সৃতি সৌধের সুরক্ষাপ্রাচীর ও সড়ক নির্মাণ কাজ করা হচ্ছে। দরপত্র অনুযায়ী কাজটি পান নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার  আলিফ এন্টারপ্রাইজ নামের এক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। চুক্তিপত্রে রয়েছে এসব নির্মাণে কাজে সিইএম২/ এএম- ওপিসি সিমেন্ট, ০.৮ এফএম ফিলিং বালু, এক নম্বর ইট ও এক বস্তা সিমেন্টের সাথে ৬ বস্তা বালু মিশ্রন করতে হবে।  কিন্তু ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী সবুজ মিয়া গত শুক্রবার বিকালে তড়িঘড়ি করে নিম্নমানের সিমেন্ট, বালু ও  ইট দিয়ে সুরক্ষাপ্রচারীরের নির্মাণ কাজ শুরু করেন। এ সময় এলাকাবাসী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সামিম হুসাইনকে এ বিষয়ে অভিযোগ দিলে তিনি ঘটনাস্থলে ছুটে যান। অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় ওই নির্মাণকাজ বন্ধ করে তা জনসম্মুখে গুড়িয়ে দেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঠিকাদার সবুজ মিয়া জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রকৌশলীর উপস্থিতিতেই ইট, বালু ও সিমেন্ট আনা হয়েছিল। ওই সময় কেউই প্রতিবাদ করেননি কিন্তু পরে কার প্ররচনায় নির্মাণাধীন সুরক্ষাপ্রাচীরটি ভেঙে দিলেন তা আমি বুঝতে পারছি না।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সামিম হুসাইন বলেন, সিডিউল ও চুক্তিপত্রের বাইরে কাজ করার সত্যতা পাওয়ায় কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। যারা সরকারি কাজে অনিয়ম ও দুর্ণীতি যারা করবেন তাদের ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানান এ কর্মকর্তা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ