• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০৯ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

উপকূলে আঘাত হানতে শুরু করেছে ঘূর্ণিঝড়

সিসি নিউজ ডেস্ক।। ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম করছে। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ঝড়ের অগ্রভাগ উপকূলে এসে পৌঁছায়। সোমবার ভোররাতে এটি বড় আঘাত হানতে পারে।

আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ মনোয়ার হোসেনের সই করা আবহাওয়ার বিশেষ বুলেটিন-১০ থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

আবহাওয়ার বিশেষ বুলেটিনে বলা হয়েছে, সোমবার সন্ধ্যা ৬টায় চট্টগ্রাম ঘূর্ণিঝড় সমুদ্রবন্দর থেকে ২৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ২৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ২২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১৭০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমে অবস্থান করছিল।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মনোয়ার হোসেন কালের কণ্ঠকে বলেন, সন্ধ্যায় বাংলাদেশের উপকূল স্পর্শ করেছে সিত্রাংয়ের অগ্রভাগ। মধ্যরাতে ভোলার কাছে দিয়ে চট্টগ্রাম ও বরিশালের উপকূল দিয়ে এর মূল অংশ প্রবেশ বা আঘাত করবে। ভোররাতের দিকে সিত্রাংয়ের প্রভাব ক্রমশ কমে যাবে। তবে এর প্রভাবে দেশের উপকূলে এবং অন্যান্য অঞ্চলেও মঙ্গলবার বৃষ্টি হতে পারে।

মোংলা ও পায়রার সঙ্গে এবার চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরকেও ৭ নম্বর বিপৎসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। কক্সবাজারে ৬ নম্বর বিপৎসংকেত বহাল রয়েছে।

এর আগে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান বলেছেন, ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং সব থেকে বেশি আঘাত হানবে বরগুনা এবং পটুয়াখালীতে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এটা পুরোপুরি বাংলাদেশ ভূখণ্ডে আঘাত হানবে। ভারতে আঘাত করার কোনো পূর্বাভাস নেই। এটি উপকূলীয় অঞ্চলের ১৩টি জেলায় মারাত্মকভাবে আঘাত হানবে। আর দুটি জেলায় হালকাভাবে আঘাত হানবে। ১৩টি জেলার মধ্যে সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী ও ফেনী। অর্থাৎ চট্টগ্রাম, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের বেশির ভাগ জায়গায় এটি আঘাত হানবে এবং চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের দ্বীপ অঞ্চলগুলোতেও, বিশেষ করে মহেশখালী, সন্দীপ এগুলো ঝুঁকিপূর্ণ আছে।’

ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ে ক্ষতি মোকাবেলায় সাত হাজার আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে। এতে ২৫ লাখ মানুষের আশ্রয়ণের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ