• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২১ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

জয়পুরহাটে অন্তঃসত্বা স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ

জয়পুরহাট প্রতিনিধি।। নয় মাসের অন্তঃসত্বা স্ত্রীকে হত্যার দায়ে তাঁর স্বামীকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন জয়পুরহাট দ্বিতীয় আদালতের বিচারক অতিরিক্ত দায়রা জজ মো. গোলাম সারোয়ার। একই সময়ে তিনি ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।
আসামি পলাতক থাকায় তাঁর অনুপস্থিতিতেই রায় ঘোষণা করা হয়।  সোমবার দুপুরে এ রায় ঘোষণা করা হয়।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ সূত্রে জানা গেছে, এ হত্যাকাণ্ডের ১৪ মাস আগের ঘটনা।  বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার উত্তর শ্যামপুর গ্রামের তোজাম্মেল হকের মেয়ে জেসমিনের সাথে জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার উদয়পুর ইউনিয়নের চরবারই-ইটাতলা গ্রামের মৃত কলিমদ্দিনের ছেলে মিজানুর রহমানের (২৪) বিয়ে হয়।
বিয়ের পরে  জেসমিন যখন নয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা। তখন ২০০৯ সালের ২৭ অক্টোবর সকালে  জেসমিনের পিতা তোজাম্মেল হক জানতে পারেন তাঁর মেয়ে মারা গেছেন। মেয়ের বাড়িতে গিয়ে জামাই মিজানুরকে পাওয়া যায়নি। মেয়ের মুখ ও নাক দিয়ে রক্ত বের হওয়া দেখা যায়।
পরে তোজাম্মেলের সন্দেহ হয় তার মেয়েকে শ্বাসরোধে হত্যা করে মিজানুর পালিয়ে গেছেন।
এ ঘটনায় গত ২০০৯ সালের  ২৭ অক্টোবর  জেসমিনের বাবা তোজাম্মেল হক বাদী হয়ে জয়পুরহাটের কালাই থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। ওই মামলায় মিজানুরকে আসামি করে কালাই থানার তৎকালীন উপ-পরিদর্শক আকতার হোসেন আদালতে ২০১১ সালের ৩১ জানুয়ারি অভিযোগপত্র জমা দেন।
আসামি পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোজাহিদুল ইসলাম রাজু  বলেন, ‘ আমরা এ রায়ে সন্তুষ্ট হতে পারিনি। তাই এ রায়ের বিপরীতে  উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে।’
আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি নৃপেন্দ্রনাথ মণ্ডল পিপি  বলেন, ‘নয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে হত্যার ঘটনায় আদালত যে রায় দিয়েছেন তাতে আমরা সন্তুষ্ট।
আসামি মিজানুর বর্তমানে পলাতক  ছিলেন। তাই তাঁর অনুপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করা হয়। ফলে,রায়ে বিচারক উল্লেখ করেছেন- আসামী স্বেচ্ছায় আত্মসমপর্ণ করবেন অথবা পুলিশ তাঁকে যে দিন গ্রেপ্তার করবেন; সেদিন থেকেই তাঁর সাজা কার্যকর হবে বলে জানান রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ