• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৭ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

সৈয়দপুরে বিনা নোটিশে উচ্ছেদের উদ্দেশ্যে বাড়িঘর ভাঙচুরের অভিযোগ

সিসি নিউজ ।। নীলফামারীর সৈয়দপুরে আদালতে মামলা চলামান অবস্থায় কোন নোটিশ না দিয়েই উচ্ছেদের উদ্দেশ্যে  ১০টি পরিবারের ২৬টি বাড়িঘর গুড়িয়ে দেয়ার অভিযোগ ওঠেছে এক প্রভাবশালী ও স্থানীয় ভূমি প্রশাসনের বিরুদ্ধে। সোমবার উপজেলার বাঙ্গালীপুর ইউনিয়নের মন্ডলপাড়ায় ভেঙ্গে ফেলা ওই বসতভিটায় সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন ওই ১০টি পরিবার।
ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য হোমায়রা খাতুন নাইস  লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করে বলেন, তাদের উত্তরসুরী বিবাদীয় এ জমির সিএস রেকর্ডিয় মালিক। তারা বংশ পরম্পরায় ৪টি দাগে  ৫৭ শতক জমি প্রায় ১০০ বছর ধরে বসতবাড়ি গড়ে ভোগদখল করে আসছে। এখানে  ১০ টি পরিবারের আধাপাকা ও কাচা ঘর ছিলো ৩০টি। কিন্তু একই  খড়খড়িয়া পাড়ার অধিবাসী মৃত. শামসুল হকের সন্তানরা ওই জমি তাদের বলে দাবি করে নীলফামারী জজ আদালতে মামলা করেন । আমাদের অজান্তে আদালত একতরফা ভাবে মামলার রায় দেয়। পরে জানতে পেরে আমরা আদালতে রায়ের বিরুদ্ধে আপীল মামলা  দায়ের  করি। যার শুশানির দিন আদালত নির্ধারিত করেছিলো এ বছরের ৭ নভেম্বর।  কিন্তু আদালত থেকে কোনো নোটিশ দেওয়া না হলেও  গত ৫ নভেম্বর শনিবার সকালে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সৈয়দপুর সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে এসকেভেটর দিয়ে ১০টি বতসবাড়ির ৩০টি আধাপাকা ও কাচা ঘর গুড়িয়ে দেওয়া হয়।
লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়,  সব মিলে তাঁদের প্রায় দেড় কোটি টাকার সম্পদের ক্ষতি করা হয়েছে। ১০ দিন ধরে প্রায় ১০০ জন মানুষ খোলা আকাশের নিচে মানবেতর দিনযাপন করছেন।
ওই সংবাদ সম্মেলনে  উপস্থিত ছিলেন  আব্দুল কাদের, মোস্তফা কামাল, আবুল কাশেম ডাবলু, মো. মোস্তাকিম, শামসুন্নাহার মাসুদ রানা প্রমূখ।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সৈয়দপুর সহকারি কমিশনার (ভূমি)  আমিনুল ইসলাম বলেন, যা কিছু করা হয়েছে সবটাই আদলতের নির্দেশনায়। আমি শুধু আইন শৃঙ্খলার যাতে অবনতি না ঘটে সেই বিষয়টি দেখার দায়িত্বে ছিলাম। এর বেশি কিছু না।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ