• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫১ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

স্ত্রী উদ্ধারের মামলা করে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার আসামী হলেন স্বামী

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি।। নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে স্ত্রী উদ্ধারের মামলা করে উল্টো নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার আসামী হয়ে নানা হয়রানির শিকার হচ্ছে স্বামী। ঘটনাটি ঘটেছে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার চাঁদখানা ইউনিয়নের মাঝাপাড়া গ্রামে।

সরেজমিন ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, চাঁদখানা মাঝাপাড়া গ্রামের আব্দুল হাকিমের ছেলে হাবিবুর রহমানের সাথে ২০১৮ সালের ২৯ মে বিয়ে হয় পাশের বাহাগিলি ইউনিয়নের নয়ানখাল দোলাপাড়া গ্রামের খতিব উদ্দিনের মেয়ে রুমানা বেগমের । বিয়ের পর তাদের দাম্পত্য জীবন ভালই চলছিল। তাদের একটি ৩ বছরের ছেলে সন্তান রয়েছে।

কিন্তু গত বছরের ২০ নভেম্বর রুমানার বাবা খতিব উদ্দিন মা সোহাগি বেগম জামাতার বাড়ীতে দাওয়াত খেতে এসে মেয়েকে সঙ্গে করে বাড়ীতে নিয়ে যায়। এসময় স্বামীর দেয়া ৩৫ হাজার টাকা দামের স্বর্ণের চেইন নিয়ে যায় রুমানা। হাবিবুর রহমান তার স্ত্রীকে কয়েকবার আনতে গেলে শশুড় শাশুড়ী তাদের মেয়েকে তার সাথে সংসার করবে না বলে জানায়। হাবিবুর বাধ্য হয়ে গত ২৩ মার্চ আদালতের আশ্রয় নিয়ে স্ত্রীকে পাওয়ার জন্য ১০০ ধারায় একটি মামলা করেন।

ওই মামলার দুই মাস পর শ্বশুড় খতব উদ্দিন চলতি বছরের ২২ মে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করে। মামলায় মারপিটসহ এক লাখ টাকা যৌতুক দাবির কথা বলা হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রতিবেশিরা বলেন প্রায় এক বছরের বেশী সময় থেকে বাবার বাড়ীতে অবস্থান করছে রুমানা । যৌতুক চাওয়া কিংবা মারপিটের ঘটনা আমরা কখনও শুনি নাই জানিও না।
চাঁদখানা ইউপি চেয়ারম্যান হাফিজার রহমান বলেন, আমি ছেলের বাবার সাথে রুমানাকে নিয়ে আসার জন্য তার বাড়ীতে গিয়েছিলাম। তারা মেয়েকে সংসার করাবে না বলে সাফ জানিয়ে দেয়। এসময় মারপিট কিংবা যৌতুকের কোন অভিযোগ তারা করেনি।
বাহাগিলি ইউপি চেয়ারম্যান সুজাউদ্দৌলা লিপটন বলেন, মামলাটি তদন্তের জন্য আদালত আমার কাছে পাঠিয়েছে। সরেজমিন তদন্ত করেছি। আমি কয়েকবার বাদিকে সাক্ষি নিয়ে আসার জন্য বলেছি কিন্তু বাদি গত ৫ মাসেও একজন সাক্ষি নিয়ে আসতে পারেনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ