• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩২ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

গাইবান্ধার ২২ বীর মুক্তিযোদ্ধাকে গেজেট থেকে বাদ দেয়ার সিদ্ধান্ত অবৈধ

সিসি নিউজ ডেস্ক।। গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের গেজেটভুক্ত ২২ জন নৌ-কমান্ডোকে বীর মুক্তিযোদ্ধার গেজেট থেকে বাদ দেয়ার সিদ্ধান্তকে অবৈধ ঘোষণা করে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।

ওই ২২ জন নৌ-কমান্ডো মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের দায়ের করা রিটে জারি করা রুল যথাযথ (এ্যাবসিলিউট) ঘোষণা করে এ রায় দেয়া হয়। বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ও বিচারপতি কাজী এবাদত হোসেন সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ আজ এ রায় দেন।

আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী তৌফিক ইনাম টিপু। তিনি জানান, ২০০৩ সালে সরকার গঠিত সাত সদস্যের একটি যাচাই-বাছাই কমিটি ৪৭২ জন মুক্তিযোদ্ধার তালিকা প্রণয়ন করে।

কমিটির সুপারিশের আলোকে পরে ২০০৫ সালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় রিট আবেদনকারী ২২ জন নৌ-কমান্ডোকে বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গেজেটভুক্ত করে এবং স্বীকৃতি স্বরূপ রাষ্ট্রীয় ভাতা দিয়ে আসছে। কিন্তু ওই নৌ-কমান্ডো মুক্তিযোদ্ধাদের আবারো যাচাই-বাছাইয়ের আওতায় আনা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২২ জন রিট আবেদনকারীসহ ২৪ জন নৌ-কমান্ডো বীর মুক্তিযোদ্ধার জন্য ২০১৬ সালের ৭ এপ্রিল (৩৫তম সভায়) জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) একটি সিদ্ধান্ত নেয়। পরে ২২ মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবার রিট করে।

রিটের শুনানি নিয়ে ২০১৬ সালের ৯ মে হাইকোর্ট রুল জারি করে। রুলে ২০১৬ সালের ৭ এপ্রিল জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের আবেদনকারীসহ ২৪ নৌ-কমান্ডোকে বীর মুক্তিযোদ্ধা গেজেট থেকে বাদ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া কেন আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত হবে না, তা জানতে চেয়েছে। পাশাপাশি সিদ্ধান্তও স্থগিত করে। ওই রুলের শুনানি শেষে মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের ৩৫ তম সভার সংশ্লিষ্ট ওই সিদ্ধান্ত বাতিল করে আজ রায় দেয় হাইকোর্ট বিভাগ।

তৌফিক ইনাম টিপু জানান, এই রায়ে গেজেটভুক্ত মুক্তিযোদ্ধাদের সাব-কমিটির মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করে তাদের গেজেট বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয়ার কোনো এখতিয়ার জামুকার নেই। এটি সরকার ও মন্ত্রণালয়ের বিষয়।

রিট আবেদনকারীরা হলেন- গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার রামপুরা গ্রামের আব্দুল হান্নান সরকার, রামচন্দ্রপুরের বাহার উদ্দিন, রামপুরার এন্তাজ আলী, গোলাম মোস্তফা, সাইদুর রহমান, আব্দুল আজিজ শেখ, ফয়জার রহমান, শরীফ উদ্দিনের স্ত্রী সকিনা বেগম, জিন্নাত আলীর স্ত্রী মজিদা বেগম, আফতাব উদ্দিনের ছেলে মাহবুবুর রহমানের স্ত্রী তাসলিমা বেগম, করিম বক্সের ছেলে মাহবুবুর রহমানের স্ত্রী আয়েশা বেগম, আমিনুল ইসলাম, বিনয় কুমার সরকার, আব্দুল গাফফারের স্ত্রী হামিদা বেগম, আশরাফুল আজাদ, গোলাম হোসেনের স্ত্রী সুফিয়া বেগম, শামসুল হক, মোহাম্মদ আলীর ছেলে জুয়েল সরকার, বজলুর রহমান, রফিকুল ইসলাম, জসিম উদ্দিন প্রধানের স্ত্রী নুর বেগম ও হারুন অর রশিদ।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ