• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৪৯ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস

সিসি নিউজ ডেস্ক।। উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা দিনে দিনে হ্রাস পাচ্ছে। আজ মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণকেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৬ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা চলতি শীত মৌসুম ও সারা দেশের মধ্য সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাসেল শাহ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গত কয়েক দিন ধরে তাপমাত্রা হ্রাস ও ওঠানামার কারণে এ উপজেলার ওপর দিয়ে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বইছে।

স্থানীয় আবহাওয়া অফিস বলছে, উত্তর দিক থেকে বয়ে আসা হিমালয়ের হিম বাতাস ও ঘন কুয়াশার কারণে এই অঞ্চলে দিনে তাপমাত্রা হ্রাস পাচ্ছে এবং শীতের তীব্রতা বাড়ছে। আগামী কয়েক দিনে তাপমাত্রা হ্রাসের পাশাপাশি শীতের তীব্রতা আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, কনকনে হাড় কাঁপানো শীতের কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন পাথরশ্রমিক, চা-শ্রমিকসহ নিম্ন আয়ের মানুষ। তাঁরা সময়মতো কাজে যেতে পারছেন না। খুব বেশি প্রয়োজন না হলে ঘর থেকে বের হচ্ছে না মানুষ। প্রতিদিন সন্ধ্যা থেকে পরদিন সকাল পর্যন্ত ঘন কুয়াশায় ঢাকা পড়ছে চারপাশ।

এ বিষয়ে তেঁতুলিয়া উপজেলার ভজনপুর এলাকার ভ্যানচালক জিতেন রায় বলেন, গত কয়েক দিন ধরে শীতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় আমাদের ভ্যান চালাতে খুব কষ্ট হচ্ছে। এতে কয়েক দিন ধরে আয় কমে গেছে। ফলে বেকার সময় পার করতে হচ্ছে।’

একই কথা বলেন বাংলাবান্ধা এলাকার পাথরশ্রমিক মালেকা বানু। তিনি বলেন, ‘হামরা গরিব মানুষ কাজ করে ভাত খাই। কিন্তু গত কয়েক দিন ধরে যে শীত আর কুয়াশা পড়ছে এতে হামাদের খুব কষ্ট হছে। শীতে কত শীতবস্ত্র আসে, কিন্তু হামরা পাই না। হামাদের খোঁজখবরও কেউ নেয় না।’

এ ব্যাপারে তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোহাগ চন্দ্র সাহা বলেন, ‘শীত শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমরা গরিব-অসহায়দের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ শুরু করছি। আমরা প্রকৃত শীতার্তদের মধ্যে এসব শীতবস্ত্র বিতরণ করছি। এখনো তা অব্যাহত রয়েছে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ