• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২১ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

জয়পুরহাট পুলিশ সুপারের শীতবস্ত্র বিতরন

জয়পুরহাট প্রতিনিধি।। অসহায় শীতার্ত মানুষদের খুঁজে বের করে তাদের শীতবস্ত্র বিতরন করে দৃষ্টি কেরেছেন জয়পুরহাট পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নূরে আলম।
শুধু তাই নয়, গত বছরের আগষ্ট মাসে  পুলিশ সুপার হিসেবে যোগদান করেন তিনি। এর পর থেকেই একেকটি মানবিক কাজ করে সমগ্র জেলায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তিন । আর এই মানবিক কর্মকাণ্ডগুলো পরিচালনার ফলে জেলার পুলিশের সম্পর্কে সাধারণ মানুষের ধারণা একেবারেই পাল্টে দিয়েছেন।

ব্যক্তিগত উদ্যোগে গত কয়েকদিনে  জেলার ৫ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়  ঘুরে ঘুরে গরীব, অসহায়, হতদরিদ্র, এতিম ও সুবিধাবঞ্চিত শীতার্তদের শীতবস্ত্র বিতরণ  করেন তিনি।

জয়পুরহাটে গত কয়েক বছরের চেয়ে শীতের তীব্রতা বেশি।  শীতবস্ত্রের অভাবে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় এই সকল মানুষদের। আর এ বিষয়টি নজরে আসে জয়পুরহাট  পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নূরে আলমের। তাই তিনি জেলার পাঁচবিবি , সদর, কালাই, ক্ষেতলাল, আক্কেলপুর  উপজেলায় শীতবস্ত্র বিতরণ করেছেন।

শীতবস্ত্র বিতরণের শুধুমাত্র কম্বল বিতরণই নয়। শিশু থেকে শুরু করে বিভিন্ন বয়সের মানুষের জন্য স্যুয়েটারসহ বিভিন্ন ধরনের ভালোমানের বস্ত্র সামগ্রী বিতরণ করেন এই পুলিশ সুপার।

এ ব্যাপারে  মোহাম্মদ নূরে আলম  বলেন, পেশাদারিত্বের কারণে অনেক সময় রাতে বের হতে হয়। তখন দেখেছি শীতার্ত  মানুষের করুণ দৃশ্য। পুলিশ সব সময় সাধারণ মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছে। আমার ব্যক্তিগত উদ্যোগে এসব শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘সমাজে অনেক বিত্তবান রয়েছেন, তারা যদি স্বদিচ্ছা নিয়ে এগিয়ে আসেন তাহলে শুধু জয়পুরহাট  কেন সমগ্র দেশেই দরিদ্রতা কমে আসবে। একজন বিত্তবান ব্যক্তির ১০০ জন দরিদ্র ব্যক্তির পাশে দাঁড়ানোর সক্ষমতা রয়েছে। এভাবে যদি একজন করে ১০০ জন বিত্তবান ব্যক্তি দরিদ্রদের পাশে দাঁড়ান তাহলে এক হাজার দরিদ্রের দারিদ্রতা কমে যাবে।

এ সময় অসহায় মানুষের সেবায় এগিয়ে আসতে বিত্তবানদের প্রতি আহবান জানান তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ