• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৬ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

শিশু মাহিমকে বাঁচাতে আর্থিক সাহায্যের প্রয়োজন

সিসি নিউজ।। নীলফামারীর সৈয়দপুরে তিন বছরের শিশু মাহিমকে বাঁচাতে আর্থিক মানবিক সাহায্যের প্রয়োজন। হৃদযন্ত্রে ছিদ্র নিয়ে জন্ম নেয়া অসুস্থ শিশুর চিকিৎসার জন্য দুই থেকে তিন লাখ টাকা লাগবে। সন্তানকে বাঁচাতে আর্থিক সহায়তা চান তাঁর অসহায় পরিবার। ইতোমধ্যে একমাত্র কন্যা শিশুর চিকিৎসা করাতে গিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে পরিবারটি। আর এতদিন ধারদেনা করে চিকিৎসা করালেও এখন সেই সামর্থ্য নেই পরিবারটি। এ অবস্থায় জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছে শিশুটি।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সৈয়দপুর শহরের পুরাতন বাবুপাড়ার দিনমজুর দম্পতির তিন বছরের কন্যা মাহিম। জন্মের কিছুদিন পর শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে স্থানীয় শিশু চিকিৎসকের কাছে নেয়া হয়। কিন্তু চিকিৎসায় সুস্থ না হলে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষায় শিশু মাহিমের হৃদযন্ত্রে একটি ছিদ্র রয়েছে বলে জানানো হয়। আর হৃদযন্ত্রে ওই ছিদ্র নিয়েই সে জন্ম নিয়েছে বলে জানান চিকিৎসকরা। এ সময় চিকিৎসকেরা জানান অপারেশন ছাড়া তাকে সুস্থ করে তোলা সম্ভব নয়। তবে শিশুর বয়স তিন বছর পূর্ণ হলেই ওই অপারেশন করাতে হবে। এ জন্য তাকে ঢাকার জাতীয় হৃদরোগ হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়।
ইতোমধ্যে শিশু মাহিমের বয়স তিন বছর পূর্ণ হলে গত বছরের ২২ ডিসেম্বর জাতীয় হৃদরোগ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। আর এ চিকিৎসার জন্য দিনমজুর মাহবুব আলম ধার দেনা করে ২০ হাজার টাকা যোগাড় করেন। হৃদরোগ হাসপাতালে কার্ডিয়াক সার্জন বিভাগের প্রধান ড. মুহাম্মদ কামরুল হাসানকে দেখানো হয়। সেখানে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর একই সমস্যা ধরা পড়ে। চিকিৎসক ব্যবস্থাপত্র দিলেও শিশুর সুস্থতার জন্য অপারেশন জরুরী বলে জানান। অপারেশন ছাড়া শিশুটিকে বাঁচানো সম্ভব হবে নয়। আর অপারেশনের জন্য কমপক্ষে দুই থেকে তিন লাখ টাকা লাগবে। কিন্তু দিনমজুর বাবা শিশুটির চিকিৎসায় এতো টাকা কোথায় পাবেন (?) এই দুশ্চিন্তা নিয়ে শিশু সন্তানকে নিয়ে বাড়ি ফিরে আসেন তিনি। বর্তমানে প্রাণের ধন শিশু সন্তানকে বাঁচানো নিয়ে মানসিক ভাবে ভেঙ্গে পড়েছে পরিবারটি। অন্যদিকে দিন যতই যাচ্ছে, ততই অসুস্থ হয়ে পড়ছে সে।
শিশুটির অসহায় দিনমজুর পিতা মাহবুব আলম বলেন,বর্তমানে নিত্যপণ্যের উর্ধ্বমূল্যের বাজারে দিনমজুরির আয়ে সংসার চালানোই কষ্টকর হয়ে পড়েছে। তারপরও ধার দেনা করে শিশু সন্তানের চিকিৎসায় অনেক টাকা-পয়সা ব্যয় হয়েছে। চিকিৎসক জানিয়েছেন অপারেশন না করলে শিশু সন্তান মাহিমকে বাঁচানো যাবে না। এ জন্য দুই থেকে তিন লাখ টাকা প্রয়োজন।
এ অবস্থায় হতদরিদ্র পিতা মাহবুব আলম শিশু মাহিমকে বাঁচাতে সমাজের হৃদয়বান ও সম্পদশালী মানুষের কাছে সাহায্যের আকুল আবেদন জানিয়েছেন তিনি। মানুষের মানবিক সাহায্যে বাঁচতে পারে তিন বছরের অবুঝ শিশু মাহিম। সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা: ডাচ্ বাংলা ব্যাংক লিমিটেড, সৈয়দপুর শাখা: সঞ্চয়ী হিসাব নং-১৬১১০৩০২৩৭৯৪৮। বিকাশ নম্বর: ০১৯১১৮৫৫৭৮০।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ