এস.এম.রকি, খানসামা (দিনাজপুর)।। প্রাণিসম্পদে ভাগ্যবদল হয়েছে খামারীদের। খামার করে অর্থ উপার্জনের সাথে মিলেছে নিজেদের কর্মসংস্থান। এভাবেই নিজেদের অতীত ও সফলতার গল্পগুলো জানালেন খানসামার খামারীরা।
শনিবার (২৫ ফেব্রুয়ারী) সকালে খানসামা সরকারী মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর এবং ভেটেরিনারি হাসপাতালের আয়োজনে প্রদর্শনীতে খামারীদের রয়েছে ২৫টি স্টল।
ইউএনও রাশিদা আক্তারের সভাপতিত্বে প্রদর্শনীতে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালী বক্তব্য রাখেন অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি আবুল হাসান মাহমুদ আলী, এমপি। এসময় আরো বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান সফিউল আযম চৌধুরী লায়ন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আফরোজা পারভীন, উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির, ওসি চিত্তরঞ্জন রায়, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাইফুল ইসলাম এবং উপজেলার খামারীগণ ও সুধীজন।
প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারী খামারীরদের সাথে কথা হলে তাঁরা জানান, বর্তমানে বাণিজ্যিকভাবে বিভিন্ন জাতের গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া, গাড়ল, কবুতর ও পাখি জাতীয় প্রাণীর খামার করেছেন। এসব খামারের মাধ্যমে তাদের জীবনে এসে স্বচ্ছলতা তেমনি বদলে গেছে জীবিকা।
উপজেলার বীণা রাণী নামে এক খামারী বলেন, প্রায় ১০ বছর আগে নিজ বাড়িতে গরুর খামার শুরু করেন তিনি। আনন্দের সহিত তিনি বলেন, এই গরুর খামারই আমার জীবন বদলে দিয়েছে। কেননা গরু পালন করে জমি কিনেছে এবং সন্তানদের জন্য খরচ জুগিয়েছে। এর ফলে একজন নারী হিসেবে সংসার পরিচালনায় স্বামীকে সহযোগিতা করতে পেরে আমি গর্বিত।
তিনি আরো বলেন, হলস্টেইন ফিজিয়ান জাতের এখন গরু থেকে তিনি প্রতিদিন ১০-১২ লিটার দুধ বিক্রি করেন। প্রতি লিটারের বর্তমান বাজারমূল্য ৫৫ টাকা।
মনিরুল ইসলাম নামে এক যুবক বলেন, পড়াশোনা শেষ করে চাকরির পিছনে না ছুটে গরুর খামার করেছি। েত এতে অর্থ উপার্জন করে সুখেই আছি।
উপজেলা চেয়ারম্যান সফিউল আযম চৌধুরী লায়ন বলেন, গরু ও ছাগলের খামার করে এই উপজেলায় আজ অনেকেই সফল। তাদের সফলতায় আমরাও গর্বিত। চাকুরীর আশায় না থেকে উদ্যোক্তা হওয়া এখন সম্মানের।
উল্লেখ্য, প্রর্দশনীতে অংশগ্রহণকারী খামারীদের মধ্যে পুরষ্কার প্রদান করা হয়।