• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১১ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

সৈয়দপুরে বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছে রকেট মেইল ট্রেনটি

সিসি নিউজ।। নীলফামারীর চিলাহাটি থেকে খুলনাগামী রকেট মেইল (২৮ ডাউন) ট্রেনটি লেভেল ক্রসিং অতিক্রম করার আগ মূর্হুতে ব্যারিয়ার না নামানোর কারণে মারাত্মক দূর্ঘটনা থেকে রক্ষা হয়েছে। আজ রবিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল নয়টায় সৈয়দপুর-পার্বতীপুর রেলপথে দুই নম্বর ঘুমটি (১২৫ নম্বর গেট) এ ঘটনাটি ঘটেছে। এতে অনেক মানুষজনের প্রাণহানি ও যানবাহনের বড় ধরনের দূর্ঘটনার আশঙ্কা ছিল। এর আগেও এ লেভেল ক্রসিংয়ে একাধিকবার বড় ধরনের দূর্ঘটনা থেকে রক্ষা হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সপ্তাহের প্রতিদিন রকেট মেইল ট্রেনটি নীলফামারীর চিলাাহটি থেকে খুলনা পর্যন্ত চলাচল করে। রেলওয়ের সিডিউল অনুযায়ী ট্রেনটি চিলাহাটি থেকে সকাল ছয়টায় ছেড়ে সৈয়দপুর রেলওয়ে স্টেশন এসে পৌঁছে সকাল আটটায়। এরপর ট্রেনটি আটটা ১০ মিনিটে সৈয়দপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে খুলনার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। কিন্তু আজ নির্দিষ্ট সময়ের প্রায় ৫০ মিনিট পর সৈয়দপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে খুলনার উদ্দেশ্যে ছাড়ে। আর এতেই ঘটে বিপত্তি।

সৈয়দপুর স্টেশন থেকে ট্রেনটি বিলম্বে ছেড়ে দ্রুতগতিতে ছুঁটে এলেও সৈয়দপুর শহরের মধ্যবর্তী স্থানে থাকা দুই নম্বর লেভেল ক্রসিংয়ে (১২৫ নম্বর গেট) নামানো হয়নি লেভেল ক্রসিংয়ের ব্যারিয়ার। এ অবস্থায় দ্রুতগতি ট্রেনটিকে ছুঁটে আসতে দেখে রেলওয়ে লাইনের আশপাশে থাকা লোকজন চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করেন। এ সময় শহরের মাথা মোড়ে দায়িত্বরত জেলা ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা ও রেলওয়ে গেটের আশেপাশে থাকা লোকজন ঘটনাটি টের পেয়ে বিদ্যূৎগতিতে ছুঁটে আসেন। তারা ওই রেলওয়ে গেট দিয়ে পারাপাররত লোকজন ও যানবাহন চালকদের সর্তক করেন। ফলে অল্পের জন্য বড় ধরণের দূর্ঘটনার কবল থেকে রক্ষা পায় রকেট মেইল ট্রেনটি।

য়দপুর রিক্সা মজদুর ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো হবিবর রহমান জানান, ওই সময় আমি পাঁচমাথা মোড়ে অবস্থান করছিলাম। রেলওয়ে গেটের ব্যারিয়ার নামানো হয়নি, অথচ ট্রেন আসার হুইসেল শুনে আমি দ্রুত রেলগেটের ওপর এসে দাঁড়ান এবং মানুষজন ও যানবাহনগুলোকে সর্তক করি।

শহরের বঙ্গবন্ধু চত্বরে দায়িত্বরত জেলা ট্রাফিক পুলিশের এক সদস্য নাম প্রকাশ না করে জানান, আমিসহ অন্যান্যরা লোকজনকে সর্তক না করলে সেখানে একটি বড় ধরণের দূর্ঘটনার আশঙ্কা ছিল। অনেক মানুষের প্রাণহানির ঘটনাও ঘটে যেত। আল্লাহ্তাল্লায় দূর্ঘটনা থেকে মানুষজনকে রক্ষা করেছেন।

এ সময় সৈয়দপুর – পার্বতীপুর রেলওয়ে লাইনের ১২৫ নম্বর লেভেল ক্রসিংয়ে দায়িত্বরত ছিলেন গেটম্যান মো. সামিউল ইসলাম। তিনি জানান, মূলতঃ রেলওয়ে স্টেশন থেকে ট্রেন ছেড়ে দেয়ার পূর্ব মুর্হুতে আমাদের মোবাইল কিংবা ল্যান্ডফোনে জানিয়ে দেয়া হয়। কিন্তু রোববার রকেট মেইল স্টেশন থেকে ছেড়ে দেয়ার পরও স্টেশন মাস্টার আমাকে কিছুই জানাননি। বরং রকেট মেইল ট্রেনের বিলম্ব হচ্ছে দেখে আমি নিজেই ঘুমটি ঘরের বাইরে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছিলাম। আর এ সময় আকস্মিক ট্রেনটি কাছাকাছি আসতে দেখে দ্রুতগতি গিয়ে চারটি ব্যারিয়ারে মধ্যে দুইটি ব্যারিয়ার নামিয়ে দেয়। আর অপর প্রান্তে গিয়ে পথচারী মানুষজন ও যানবাহন চালককে সর্তক করি।

সৈয়দপুর স্টেশনে কর্তব্যরত স্টেশন মাষ্টার (গ্রেড-৪) মো. মঈনুল হোসেন বলেন, রকেট মেইল ট্রেনটি স্টেশন থেকে ছেড়ে দেয়ার প্রাক্কালে ১২৫ লেভেলক্রসিংয়ের গেটম্যানকে ল্যান্ডফোনে অবগত করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ