সিসি নিউজ।। ‘মেধা-স্বপ্ন-মূল্যবোধ’ এই শ্লোগানকে সামনে নিয়ে রবিবার (১৯ মার্চ) সন্ধ্যার দিকে নীলফামারী শহরের এলজিইডি ভবনের সম্মেলন কক্ষে নীলফামারী সাহিত্য একাডেমির ‘কাব্যকলি’ গ্রন্থের মোড়ক উম্মোচন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা সাহিত্য একাডেমির আয়োজনে এক কাব্যবিকেল ও কবি পরিচিতি অনুষ্ঠিত হয়।
একইদিন সাহিত্য একাডেমির কমিটি পরিচিতি, লেখক সম্মাননা ও ২টি জন্মদিনের কেক কাটা অনুষ্ঠান পালিত হয়েছে। এরমধ্যে ১৭ মার্চ জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানে জন্মদিন, অপরটি কবি সেলিনা সাথির জন্মদিন উপলক্ষে সেখানে কেক কাটা হয়।
অনুষ্ঠানে সাহিত্য একাডেমির সভাপতি সেলিনা সাথীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, নীলফামারী পৌর মেয়র ও মিউনিসিপাল এ্যাসোসিয়েশনের (ম্যাপ) প্রেসিডেন্ট দেওয়ান কামাল আহমেদ ও বিশেষ অতিথি বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সেকশন কমান্ডার শিক্ষাবীদ মো. আব্দুল গাফ্ফার, কবি ও গবেশক সৈয়দা রুখসানা জামান শানু, জেলা পরিসদের সদস্য ও কবি ইসরাত জাহান পল্লবী প্রমুখ।
এছাড়াও, আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন, প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি উত্তরণ পাবনা ও কবি আলমগীর কবির হৃদয়, সাধারণ সম্পাদক জাতীয় কবিতা পরিষদ রংপুর মনজিল মুরাদ লাভলু, স ালনায় ছিলেন, সাহিত্য একাডেমির সাধারণ সম্পাদক রাসেদুজ্জামান তাওহীদ।
নীলফামারী সাহিত্য একাডেমি থেকে প্রকাশিত ‘কাব্যকলি’ গ্রন্থে যাদের লেখা প্রকাশিত হয়েছে এবং যারা একাডেমির কমিটিতে রয়েছে তাদেরকে উত্তরীয় পরিয়ে লেখক সম্মাননা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, বইয়ের বিকল্প নেই। বই মানুষকে দেউলিয়া করেনা বরং মানুষের মনুষত্ববোধ বৃদ্ধি করে। বই পড়ে মানুষ জ্ঞানী হয়। আর কবি সাহিত্যিকরা তার অনুশারী। তাঁদের লেখা গল্প, কবিতা সমাজের দূর্ণীতি এবং অবক্ষয় থেকে রক্ষা করে।