• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩০ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

চিলমারী উপজেলা প্রকৌশলীকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ

সিসি নিউজ ।। স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তরের (এলজিইডি) কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলা প্রকৌশলীকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে এক ঠিকাদারের বিরুদ্ধে। এর প্রতিবাদে কার্যালয়ের কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দুই ঘণ্টারও বেশি সময় কর্মবিরতি পালন করেছেন কর্মচারীরা। পরে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের হস্তক্ষেপে বিষয়টির মীমাংসা হয়। আজ বৃহস্পতিবার এসব ঘটনা ঘটে।

লাঞ্ছিত করার বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেন চিলমারী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রুকুনুজ্জামান শাহীন। তিনি বলেন, ‘বিষয়টি শুনে উভয় পক্ষকে ডেকে সমাধান করে দিয়েছি।’

অভিযোগ ওঠা ঠিকাদার হলেন গোলাম হাবিবুর রহমান বিদ্যুৎ। তিনি জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সভাপতি। তবে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি।

উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় থেকে জানা গেছে, আজ সকাল ১১টার দিকে ওই কার্যালয়ে বৈঠক চলার সময় ঠিকাদার গোলাম সেখানে গিয়ে উপজেলা প্রকৌশলী ফিরোজুর রহমান ও কর্মচারীদের গালিগালাজ করেন। কর্মচারীরা এর প্রতিবাদ করলে ঠিকাদার মারমুখী হন। এরপর উপজেলা প্রকৌশলী ও অন্য কর্মচারীরা অফিস কক্ষে তালা ঝুলিয়ে কর্মবিরতি শুরু করেন। পরে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

উপজেলা প্রকৌশলী ফিরোজুর বলেন, ‘আজ সকালে ঠিকাদার গোলাম একটি কাজের বিল নিয়ে আসেন এবং আমাদের ওপর হঠাৎ চড়াও হয়ে গালিগালাজ করতে থাকেন। পরে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের হস্তক্ষেপে বিষয়টি সমাধান হয়েছে। ওই ঠিকাদার ভুল স্বীকার করে দুঃখ প্রকাশ করেছেন।’

ঠিকাদার গোলাম কার্যালয়ের কাজে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেন বলে দাবি করে প্রকৌশলী ফিরোজুর। তিনি বলেন, ‘আজ একটি কাজ বুঝে নিতে চাইলে তিনি রেগে যান। কাজ বাস্তবায়নে সাইট ভিজিট করতে চাইলেও সমস্যা সৃষ্টির চেষ্টা করেন। তিনি সিনিয়র মানুষ বলে আমরা তেমন কিছু বলি না। এবার তিনি সীমা অতিক্রম করেন।’

ঠিকাদার গোলাম এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমি কোনো গালিগালাজ করিনি। আমার একটি কাজের বিলের বিষয় নিয়ে কথা বলেছি। পরে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও অন্যরা মিলে উভয় পক্ষের মধ্যে সমঝোতা করে দিয়েছেন। আমি কোনো ভুল করিনি, সুতরাং ভুল স্বীকার করার প্রশ্নও ওঠে না।’ উৎস: আজকের পত্রিকা


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ