এ বিষয়ে সেতুর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি ভুল করেছি। এতে ব্যাংকের কোন ত্রুটি নেই। আমিই টাকাটা কৌশলে সরিয়েছি। তিনি আরও বলেন, আমি ষড়যন্ত্রের শিকার। কয়েকজন মিলে এ অপকর্ম করলেও দায় আমার ঘাড়েই চেপেছে। যিনি মূল খলনায়ক তিনি পার পেয়ে গেলন।
সিটি ব্যাংক সৈয়দপুর শাখার ব্যবস্থাপক সুলতান মাহবুব খান বলেন, এবিষয়ে আমি কিছুই জানিনা। আমি মাত্র ১০ মাস হলো এই শাখায় এসেছি। আর এফডিআর করা হয়েছে ২০২২ সালে। সেই সময়কার ম্যানেজার রেজোয়ান করিম ও সেতুই ভালো বলতে পারবে। তবে টাকা ফেরত পাওয়ার ব্যাপারে গ্রাহককে সার্বিক সহযোগিতা করার কথা জানান তিনি।
এ ব্যাপারে সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে জানান, বিষয়টি তিনি অবগত নন। তবে অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।