সিসি নিউজ।। পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের সচিব নাজমুল আহসান বলেছেন, ‘উত্তরাঞ্চলের আর্থসামাজিক উন্নয়ন, এই এলাকার সার্বিক পরিবেশ এবং কর্মসংস্থান, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এই সবগুলোকে মাথায় নিয়ে সরকার একটি বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে স্ট্যাডি করছে। এই স্ট্যাডির ভিত্তিতে আমরা আমাদের যে সার্বিক উন্নয়নে নদী ব্যবস্থাপনার বিষয়টা আছে সেটি গ্রহন করা হবে’। বৃহস্পতিবার বিকালে তিস্তা নদী ও তিস্তা ব্যারাজ প্রকল্প পরিদর্শনে এসে এ কথা বলেন তিনি। এসময় তিনি ব্যরাজের ফ্লাড বাইপাস এলাকা পরিদর্শন করেন।
এসময় তিনি আরও বলেন ‘দেশের নদীগুলোর সৌন্দর্য বাড়ানো এবং বিভিন্ন এলাকায় পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে কয়েকটি জেলায় তা দৃশ্যমানও হয়েছে। এছাড়া নদীর গতিপথ ঠিক রাখা, পলি অপসারণ এবং ভাঙ্গন ও ঝুঁকি অংশ রক্ষায় প্রকল্প গ্রহণেরও কাজ চলমান রয়েছে।’
তিনি বৃহস্পতিবার ঢাকা থেকে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে সকাল ১১টায় পৌঁছেন। এরপর নীলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলায় নিতাই ইউনিয়নে ৫২ কোটি টাকা ব্যয়ে চারালকাটা নদী সোজাকরণ ও বুড়ি তিস্তা নদীর তীর সংরক্ষণ প্রকল্প পরিদর্শন করেন।
এরপর বিকাল চারটার দিকে তিস্তা সেচ প্রকল্পের রেস্ট হাউজ অবসরে রংপুর জোনে চলমান পানি সম্পদ মন্ত্রলায়য়ের অধীনে বাস্তবায়নাধীন চলমান বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের পর্যালোচনা ও বর্তমান বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় করেন।
ওই মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন পানি উন্নয়ন বোর্ড উত্তরাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী মো. জহিরুল ইসলাম। এসময় উপস্থিত ছিলেন রংপুর বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার মো. হাবিবুর রহমান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহা-পরিচালক মো. রমজান আলী প্রামানিক, অতিরিক্ত মহা-পরিচালক এসএম শহিদুল ইসলাম, নীলফামারী জেলা প্রশাসক পঙ্কজ ঘোষ, লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ উল্যাহ, পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আহসান হাবিব, মূখ্য সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আব্দুল হাকিম, ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্ররকৗশলী মোহাম্মদ আসফাউদদৌলা, নীলফামারী পানি উন্নন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো, আতিকুর রহমান, সৈয়দপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মেহেদী হাসান, গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌলী মো. হাফিজুল হক প্রমুখ।