• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০৩ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

সৈয়দপুরে মিথ্যা চাঁদাবাজির অভিযোগ দিয়ে হয়রানি!

সিসি নিউজ।। নীলফামারীর সৈয়দপুরে ক্রয়কৃত ভোগদখলীয় জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করা হয়েছে। এতে ব্যর্থ হয়ে ওই জমির মালিক তিনজনের নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছে মোসাদ্দেক হোসেন নামের এক প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে। আজ শুক্রবার সকালে স্থানীয় এক রেস্টুরেন্টে সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী ওই তিনজন। ভুক্তভোগীরা হলেন শহরের পূর্ব বোতলাগাড়ী এলাকার আব্দুল হকের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম, আমিনুর ইসলামের ছেলে মশিয়ার রহমান ও জুলফিকার রহমানের ছেলে জুলকার নাইন।

লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগী জাহাঙ্গীর আলম বলেন, শহরের গোলাহাট ওয়াপদামোড় এলাকার বাসিন্দা মৃত ডা: আবুল হাসান বুলুর ছেলে নাইমুল হাসান পৈত্রিকসূত্রে প্রাপ্ত ২১৩১ নং বিএস খতিয়ানের ৪৭৯৩ দাগে ৪৯ শতাংশের মধ্যে ৭.৫৫ শতক জমি নিজের নামে নামজারি করে ভোগদখল করে আসছিলেন। আমরা তিনজন যৌথভাবে তার কাছ এ জমি দলিলমূলে কিনে আমাদের নামে নামজারি করে ভোগদখল করে আসছি।
কিন্তু একই এলাকার মৃত লুৎফর হোসেন এর ছেলে প্রভাবশালী মোছাদ্দেক হোসেন এবং একই এলাকার ভূমিদস্যু বেলাল হোসেন ও হবিবর রহমান খোকার যোগসাজশে জমিটি দখলের চেস্টা করেন। তার দাবি এ জমি আবুল হোসেনের ভাতিজা মোস্তাক আহমেদ কায়সারের কাছ থেকে কিনেছেন। অথচ ওই দাগে কায়সারের অংশ ৩. ৭৭ কিন্তু তিনি প্রতারণা করে ২৫ শতাংশ জমি বিক্রি করেছেন। এদিকে জমি দখলের চেস্টা করে ব্যর্থ হয়ে তিনি চাঁদাবাজি মামলা দিয়ে আমাদের হয়রানি ও সামাজিকভাবে হেয় করছেন। এজন্য স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে অন্য দুই ভুক্তভোগী মশিয়ার রহমান ও জুলকার নাইনও উপস্থিত ছিলেন।
মোছাদ্দেক হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, কবলা দলিলমূলে ওই জমির মালিক আমি। কিন্তু এলাকার জাহাঙ্গীর আলম, মশিয়ার রহমান ও জুলকার নাইন নামে তিনজন আমার কাছ থেকে ২০ লাখ টাকা চাদা দাবি করেন। চাঁদা না দেওয়ায় তারা ওই জমিতে ভুয়া মালিকানার সাইনবোর্ড লাগিয়েছেন। এ জন্য আমি আইনের আশ্রয় নিয়েছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ