সিসি নিউজ ডেস্ক।। বিএনপি ও অন্যান্য সমমনা রাজনৈতিক দলগুলোর ডাকা টানা তিন দিনের অবরোধ কর্মসূচির প্রথম দিন চলছে। আজ মঙ্গলবার অবরোধের প্রথম দিনে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় সংঘর্ষ, পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, ১৫৮ জনকে গ্রেপ্তার, পুলিশের ওপর হামলা, দুই বাসে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।
বেলা সাড়ে ৩টার দিকে হাইকোর্ট মোড়ের কদম ফোয়ারার সামনে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ পরিবহনের একটি বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। কদমতলী থানার মুন্সিখোলায় একটি বাসে ভাঙচুর ও আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। এছাড়া জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বহনকারী একটি বাসে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
গাবতলী, মহাখালী ও সায়েদাবাদ টার্মিনাল ও আশপাশের অঞ্চল ঘুরে দেখা যায়, গণপরিবহন চলাচল সীমিত রয়েছে। দূরপাল্লার বাস ও আন্তজেলার বাস চলাচলও ছিল সীমিত। ফলে ভোগান্তিতে পড়েন অফিসগামী ও বাড়ি ফেরা যাত্রীরা। তবে ট্রেন, লঞ্চ ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) বাস চলাচল করেছে।
গাবতলী, মহাখালী ও সায়েদাবাদ টার্মিনাল ও আশপাশের অঞ্চল ঘুরে দেখা যায়, গণপরিবহন চলাচল সীমিত রয়েছে। দূরপাল্লার বাস ও আন্তজেলার বাস চলাচলও ছিল সীমিত। ফলে ভোগান্তিতে পড়েন অফিসগামী ও বাড়ি ফেরা যাত্রীরা। তবে ট্রেন, লঞ্চ ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) বাস চলাচল করেছে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম কমিশনার (অপারেশনস) বিপ্লব কুমার সরকার বলেন, ‘ঢাকার সার্বিক পরিস্থিতি অত্যন্ত ভালো। অবরোধে মানুষ সাড়া দিয়েছে বলে মনে হয় না। সাধারণ মানুষ রাস্তায় বের হয়ে আসছেন। যানবাহন ও ট্রেন চলছে এবং সবকিছুই স্বাভাবিক চলছে। অবরোধের প্রভাব জনজীবনে এখনো পর্যন্ত পড়েনি। ঢাকায় মিরপুরে পাঁচজন জামায়াত কর্মীসহ ১৫৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নাশকতাকারীদের বিরুদ্ধে আমরা জিরো টলারেন্স নীতিতে আছি।’
ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির দপ্তর সম্পাদক গোলাম সামদানী বলেন, ‘আমি নিজে ফুলবাড়ি বসে আছি। বাস চলছে। তবে যাত্রী নেই। অফিস সময়ে কিছু যাত্রী ছিল। ব্যক্তিগত গাড়িও অনেক কম। হরতালের দিন থেকে গাড়ি বেশি।’ উৎস: দৈনিক আজকের পত্রিকা