সিসি নিউজ।। নীলফামারীতে পৃথক দু’টি স্থানে আন্তঃনগর দু’টি ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে একজন ব্যবসায়ী ও একজন মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।
রোববার দুপুরে জেলার সৈয়দপুর শহরের এক নম্বর রেলক্রসিং এবং সকালে জেলা সদরের খয়রাত নগর রেলওয়ে স্টেশনের অদূরে এই পৃথক ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন সৈয়দপুর পৌরশহরের মুন্সিপাড়া এলাকার মৃত আবেদ আলীর ছেলে ব্যবসায়ী জায়েদ হোসেন খান চঞ্চল (৬৮) ও জেলা সদরের সোনারায় ইউনিয়নের ঘোনপাড়া গ্রামের জবান আলীর ছেলে মানসিক ভারসাম্যহীন রোগী ফয়জুল ইসলাম (৬৫) বলে জানান সৈয়দপুর রেলওয়ে থানা পুলিশের পরির্দশক (ওসি) মো. সাকিউল আযম।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পরিবারর বরাত দিয়ে সৈয়দপুর রেলওয়ে থানা পুলিশের পরির্দশক মো. সাকিউল আযম জানান, রোববার সকাল ৭টার দিকে খয়রাত নগর স্টেশনের অদূরে চিলাহাটী রেলওয়ে স্টেশন থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী আন্তঃনগর চিলাহাটি এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে মারা যান মানসিক বৃদ্ধ ফয়জুল ইসলাম (৬৫)। তিনি সদর উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের ঘোনপাড়া এলাকার মৃত. জবান আলীর ছেলে। ফয়জুল ইসলাম মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন।
অপর দিকে সৈয়দপুর শহরের এক নম্বর রেলক্রসিং এর অদূরে রেল লাইন পারাপারের সময় রাজশাহী থেকে ছেড়ে আসা চিলাহটিগামী আন্তঃনগর তিতুমীর এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে মারা যান ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী জায়েদ হোসেন খান চ ল (৬৮)। তিনি নওগাঁ জেলার রানী নগরের দুর্গাপুর এলাকার মৃত আবেদ আলীর ছেলে। জায়েদ হোসেন খান চঞ্চল র্দীঘ দিন থেকে সৈয়দপুর শহরের মুন্সিপাড়া এলাকায় বসবাস করতেন এবং একই শহরের শহীদ ডা. জিকরুল হক সড়কে ছাতা ও কাসা-পিতলের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
ওসি মো. সাকিউল আযম জানান, পৃথক দু’টি স্থানে ট্রেনে কাটা পড়ে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আইনী প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। সৈয়দপুর রেলওয়ে থানায় পৃথক দু’টি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।