হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, জুয়েল এদিন উল্লেখিত সময়ে হাসপাতালের মহিলা কাউন্টার থেকে টিকিট সংগ্রহের জন্য দাঁড়ায়। সেখানে কর্তব্যরত হাসপাতাল কর্মী মমিনুল ইসলাম তাকে পুরুষ কাউন্টার থেকে টিকিট সংগ্রহ করতে বললে সে উত্তেজিত হয়ে পড়ে। বাক বিতন্ডার একপর্যায়ে হাসপাতাল কর্মী মমিনুলকে কিলঘুষি মারতে থাকে। এতে মমিনুল ইসলামের নাক ফেটে যায় ও চোখে গুরুতর জখম হয়।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তৎক্ষণাৎ ৯৯৯ এ ফোন করলে ঘটনাস্থল থেকে জুয়েলকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। আহত আউটসোর্সিং কর্মী মমিনুল ইসলাম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে ।
মমিনুল ইসলাম জানান, একটি পুরুষ রোগী মহিলা কাউন্টার থেকে টিকিট নিতে আসলে আমি তাকে পুরুষ কাউন্টারে যেতে বললে সে আমার সাথে বাক-বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে এবং আমাকে কিলঘুষি মারতে থাকে। এতে আমি গুরুতর আহত হই। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।
সৈয়দপুরে ১০০ শয্যা হাসপাতালের চিকিৎসক ডা: নাজমুল হুদা বলেন, হাসপাতালের আউটসোর্সিং কর্মী মমিনুল ইসলামকে গুরুতর আহত অবস্থায় ভর্তি করানো হয়েছে। তার নাকে ও চোখে ক্ষত চিহ্ন রয়েছে। আমি বিষয়টি পুলিশ প্রশাসনকে অবহিত করেছি এবং তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে একজনকে আটক করেছে এবং মামলা দায়ের এর প্রস্তুতি চলছে।
সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহা আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আটক যুবকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।