• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১৮ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

নীলফামারীতে বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই করে প্রবাহিত হচ্ছে তিস্তার পানি

সিসি নিউজ।। নীলফামারীতে বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই করে প্রবাহিত হচ্ছে তিস্তার পানি। শনিবার বেলা ৩টায় তিস্তা ব্যারেজ পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ১২ সেন্টিমিটার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হয়। এর আগে দুপুর ১২টায় বিপৎসীমার ১০ সেণ্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। এতে করে তিস্তাপাড়ের নিমাঞ্চলে পানি প্রবেশ করেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যারাজের সবকটি গেট খুলে রেখেছে কতৃপক্ষ। ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্র জানায়, উজানের ঢল ও ভারি বৃষ্টিপাতে নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। শনিবার সকাল ৬টায় তিস্তা ব্যরাজ পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ১৮ সেণ্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়। সকাল নয়টায় পানি বেড়ে বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে দুপুর ১২টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকে। এরপর বিকেল ৩টার দিকে ২ সেন্টিমিটার কমে বিপৎসীমার ১২ সেন্টিমিটার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হয়। এরআগে গত শুক্রবার বিকাল ৩টায় ওই পয়েণ্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ৩৩ সেণ্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছিল। ব্যারেজ পয়েন্টে পানির বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ১৫ সেণ্টিমিটার। নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে তিস্তাপাড়ের নিম্নাঞ্চলে বাড়িঘরে পানি প্রবেশ করছে। এমনই একটি গ্রাম ডিমলা উপজেলার পূর্বছাতনাই ইউনিয়নের ঝাড়সিংহেশ্বর। ভারত থেকে তিস্তার প্রায় প্রবেশমুখে গ্রামটির অবস্থান। শনিবার দুপুরে ওই গ্রামের বাসিন্দা জামিয়ার হোসেন (৪৫) জানান, রাতে হঠাৎ করে নদীর পানি বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। এতে করে গ্রামের অনেকের বাড়ির উঠানে পানি প্রবেশ করেছে। এখানকার মানুষ আরও পানি বাড়ার শঙ্কায় আছেন। ডিমলা উপজেলার পূর্বছাতনাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ খান বলেন, ’নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে সকালে আমার ইউনিয়নের ঝাড়সিংহেশ্বর ও পূর্বছাতনাই মৌজায় পানি প্রবেশ করে। এতে করে প্রায় এক হাজার ৩০০ পরিবার পানিবন্দী হয়। দুপুরের পর থেকে পানি নামতে শুরু করেছে। তবে ফের পানি বাড়ার আশঙ্কায় রয়েছে এলাকার মানুষ’। একই উপজেলার টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রবিউল ইসলাম বলেন, ‘নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করেছে। পানির তোরে ইউনিয়নের পূর্বখড়িবাড়ি গ্রামে স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত বাধটির প্রায় ১০০ মিটার বিধ্বস্ত হয়েছে। সেটি স্থানীয় উদ্যোগে বাঁশের পাইলিং ও বালির বস্তা ফেলে মেরামতের কাজ চলছে। তবে এখনো কোন বাড়িঘরে পানি উঠেনি। ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আসফাউদদ্দৌলা বলেন, ‘তিস্তা নদীর পানি কয়েকদিনের তুলনায় কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। শনিবার বেলা ১২টায় বিপৎসীমার ১০ সেণ্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। পরিস্থিতি মোকাবেলায় ব্যারাজের সব কটি (৪৪টি) গেট খুলে রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে’।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ