• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২৮ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

নীলফামারীতে শিক্ষকের পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ

সিসি নিউজ।। নানা অনিয়মের অভিযোগ এনে নীলফামারী সদরের সোনারায় সংগলশী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. বাহার উদ্দিন ও সহকারী প্রধান শিক্ষক বিভূতিভূষণ রায় উত্তমের পদত্যাগের দাবিতে সড়ক অবরোধ করছে শিক্ষার্থী‌রা। এ‌র ফলে নীলফামারী-সৈয়দপুর সড়কে যানচলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এরপর ঘটনাস্থলে বিজিবি ও পুলিশ উপস্থিত হয়ে শিক্ষার্থীদের বোঝাতে সক্ষম হলে দুই ঘন্টা পর বেলা আড়াইটার দিকে অবরোধ তুলে নেয় শিক্ষার্থীরা।

আজ রোববার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নীলফামারী-সৈয়দপুর মহাসড়কের কাচারী বাজার এলাকায় শিক্ষার্থীরা জড়ো হন। এসময় শিক্ষার্থী‌রা প্রধান শিক্ষক মো. বাহার উদ্দিন ও সহকারী প্রধান শিক্ষক বিভূতিভূষণ রায় উত্তমের পদত্যাগের দাবিতে সড়ক অবরোধ করেন।

শিক্ষার্থীরা জানান, সহকারী প্রধান শিক্ষক বিভূতিভূষণ রায় উত্তম আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। তিনি বিগত সময়ে স্কুলের বিভিন্ন কাজের অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তারা প্রধান শিক্ষকের কাছে সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগের বিষয়টি বলেছেন। কিন্তু প্রধান শিক্ষক তা মেনে নেননি। উল্টো ভয় দেখিয়েছেন তাদের। তারা মনে করছেন দুজন মিলেই বিদ্যালয়ের অনিয়মের জড়িত ছিলেন। তাই তারা দুজনের পদত্যাগ দাবি করছেন।

এদিকে, শিক্ষার্থী‌দের সড়ক অব‌রো‌ধের কার‌ণে নীলফামারীর সঙ্গে সৈয়দপুর ও রংপুরের যানবাহন চলাচল বন্ধ হ‌য়ে যায়। এতে বিপা‌কে প‌ড়ে‌ছেন সাধারণ মানুষ। সাধারণ মানুষকে কষ্ট না দিয়ে আন্দোলন করার অনুরোধ করেছেন পথচারী এবং সড়কে আটকেপড়া যাত্রীরা। পরে বিজিবি ও পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে শিক্ষার্থীদের অবরোধ তুলে নেওয়ার জন্য বোঝাতে থাকেন।

আমিরুল ইসলাম নামে বাসের আটকেপড়া এক যাত্রী বলেন, আমি অফিসে যাব। কিন্তু এক ঘন্টা ধরে এখানে আটকে আছি। শিক্ষার্থীরা কোনভাবেই যেতে দিচ্ছে না। এভাবে সড়ক অবরোধ করে আন্দোলন করার কোনো মানে হয় না। তাদের দাবি থাকতেই পারে সেটা সড়ক অবরোধ করে দাবি আদায় করতে হবে তা কিন্তু নয় সংশ্লিষ্ট দপ্তরে অভিযোগ দিয়ে বা দাবি জানাতে পারে৷ এদের কারণে আমরা সাধারণ মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছি।

সৈয়দপুর শহরের আউয়াল হোসেন নামে আরেকজন বলেন, আমি নীলফামারী কোর্টে যাবো জরুরি ভিত্তিতে। কিন্তু এখানে এসে আটকে গেলাম। কোর্ট তো নিদিষ্ট সময়ে বসে আমি এখানে এভাবে আটকে থাকলে আমার কাজের কি হবে। কিছু হ‌লেই রাস্তা বন্ধ ক‌রে দি‌তে হ‌বে। কী একটা নিয়ম চালু হ‌য়ে গেল। এখন প্রশাসনও চুপ। ওরা স্কু‌লে গি‌য়ে আন্দোলন করুক, রাস্তায় কী?

ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাহার উদ্দিন বলেন, বিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষক ও বহিরাগতদের ইন্ধনে শিক্ষার্থীরা এসব করছে। এর আগেও তারা কিছু অযৌক্তিক দাবি জানিয়েছেন তা মেনে না নেওয়ায় আজকে তারা এসব করছে। আমি দোষ করলে সেটা নিয়মতান্ত্রিক ভাবে তদন্ত করে শিক্ষা অফিস ব্যবস্থা নেবেন। আমি এই স্কুলে পড়েছি। এরপর সহকারী শিক্ষক ছিলাম। তারপর প্রধান শিক্ষক হয়েছি।

এ বিষয়ে নীলফামারী সদর থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) এম আর সাঈদ বলেন, খবর পেয়ে সেখানে পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা উপস্থিত হয়ে শিক্ষার্থীদের বোঝাতে সক্ষম হয়েছে। পরে তারা অবরোধ তুলে নিলে যানচলাচল স্বাভাবিক হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ