• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫৮ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

রেল কর্মকর্তাদের ওপর হামলার প্রতিবাদে সৈয়দপুরে মানববন্ধন

সিসি নিউজ।। বিভিন্ন সময়ে রেলওয়ে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উপর বিনা টিকিটে ভ্রমণকারী সংঘবদ্ধ চক্রের দ্বারা সন্ত্রাসী হামলায় জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে নীলফামারীর সৈয়দপুর রেলওয়ে স্টেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। সোমবার বেলা ১১টা থেকে পৌনে ১২টা পর্যন্ত রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনের সামনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন সৈয়দপুর স্টেশন মাস্টার ওবাইদুল ইসলাম রতন, প্রধান বুকিং সহকারী মাহবুবুল হক, বুকিংসহকারী সোহাগ হাওলাদার, কামরুজ্জান, ইশিতা পারভীন ও পলি আকতার, গুডস সহকারী লাকী আকতার, পয়েন্টসম্যান আতাউর রহমান, জিসান মোজাম্মেল প্রমুখ।

বক্তারা জানান, গত ৭ আগস্ট ঢাকা থেকে রাজশাহীগামী ‘সিল্কসিটি এক্সপ্রেস’ ট্রেনে কয়েকজন টিকেটবিহীন যাত্রী এসি কোচে অবস্থান নেন। রেলের নিয়ম অনুযায়ী ন্যূনতম ভাড়া ও জরিমানা আদায় করে তাদের নন-এসি কোচে যেতে বলা হলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেন। পরবর্তীতে ট্রেনটি রাজশাহী স্টেশনে পৌঁছালে একটি সংঘবদ্ধ চক্র কর্মকর্তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের চিফ কমার্শিয়াল ম্যানেজার (সিসিএম) আহসান উল্লাহ ভূঁইয়া এবং রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর (আরএনবি) এএসআই ফজলুর রহমান আহত হন। এর আগে গত ৪ জুলাই বনলতা এক্সপ্রেস এবং ২৫ জুলাই সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেনে বিনা টিকিটের যাত্রীরা রেলকর্মীদের ওপর সন্ত্রাসী হামলা করে। বিনা টিকিটের কিছু যাত্রী (সিন্ডিকেট) এভাবে রাজশাহীসহ বিভিন্ন রুটে চলাচলকারী আন্তঃনগর ট্রেনে বিনা টিকিটে এসি শ্রেণীর কোচের করিডোরে ভ্রমণ করে এবং বৈধ টিকিটধারী যাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্য ভ্রমণে বিঘ্ন সৃষ্টি করে। তারা কখনোই টিকিট কেটে ট্রেনে ভ্রমণ করে না। টিকিট দেখতে চাইলে তারা একত্রে ৮/১০ দশ জন মিলিত হয়ে বিভিন্নভাবে হট্টগোল শুরু করে এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। তারা সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী যারা টিকিট চেকিং করে তাদের সাথে বাগবিতণ্ডায় জড়ায় এবং বিভিন্ন ধরনের হুমকি ধামকি দিয়ে থাকে।

বক্তারা বলেন, সরকারি দায়িত্ব পালনরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ওপর এ ধরনের হামলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।এসব ঘটনায় টিকিট চেকিং কার্যক্রমের সাথে সম্পৃক্ত কর্মকর্তা কর্মচারীগণ কর্মস্পৃহা হারাচ্ছে। যার কারণে সরকারি রাজস্ব আয়ের উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। সরকারি কর্মকর্তাদের উপর অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলা ও সরকারী কাজে বাধাদান একটি ফৌজদারি অপরাধ। দায়িত্ব পালনের সময় রেলকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। রেলওয়ে কর্মচারীদের উপর সন্ত্রাসী হামলার সাথে জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও বিচারের জোর দাবি জানান তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ