• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২৬ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

দশ দিনের মধ্যে কমছে তেলের দাম

পেট্রল পাম্পসিসি নিউজ: আগামী সাত থেকে দশ দিনের মধ্যে অকটেন, কেরোসিন, পেট্রোল ও ডিজেলের দাম কমিয়ে পরিপত্র জারি করা হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু।

সোমবার সচিবালয়ে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, তেলের দাম ধীরে ধীরে আমরা সাশ্রয়ীভাবে দেখতে যাচ্ছি। তেলের মূল্যটাকে আমরা একটা যৌক্তিক রেটে নিয়ে যেতে চাচ্ছি।

প্রথমে ‘সাত দিনের মধ্যে’ পরিপত্র দেওয়ার চেষ্টা করবেন বলে উল্লেখ করলেও পরে ‘সাত থেকে দশ দিনের মধ্যে’ তেলের দাম কমানোর ঘোষণা দেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সেখানে (পরিপত্রে) অকটেন, কেরোসিন, পেট্রোল ও ডিজেল থাকবে। আমরা ইতোমধ্যে ফার্নেস অয়েলের দাম কমিয়েছি। এতে বেশ কিছু জায়গায় সাশ্রয় হচ্ছে। সে বিষয়গুলো সরাসরি আমাদের জনগণের পর্যায়ে পৌঁছছে।

পেট্রোল ও অকটেন দেশে উৎপাদনের পাশাপাশি দাম বাড়িয়ে গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্য সমন্বয়ের কথা বলেন নসরুল হামিদ এবং ভেজাল পেট্রোল বিক্রি বন্ধে পাম্পে পাম্পে অভিযান চালানোর ঘোষণা দেন।

তিনি বলেন, কেউ যদি ভেজাল করে তাদের তাৎক্ষণিকভাবে লাইসেন্স বাতিল করা হবে। বৃহস্পতিবার থেকে তা শুরু হবে। আমাদের কাছে রিপোর্ট চলে আসছে। ১২ শ’ পেট্রোল পাম্পের মধ্যে কোনো কোনো পাম্প ভেজাল করছে, আমরা ধীরে ধীরে তাদের লাইসেন্স বাতিলের দিকে যাব। এখন আর জরিমানা না, সরাসরি লাইসেন্স বাতিলের দিকে যাব।

সর্বশেষ ২০১৩ সালে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে মূল্য সমন্বয়ের সময় বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছিল। সেই হারে বর্তমানে প্রতি লিটার অকটেন ৯৯ টাকা, পেট্রোল ৯৬ টাকা, কেরোসিন ও ডিজেল ৬৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

তখন প্রতি লিটার ফার্নেস অয়েলের দাম ৬০ টাকা স্থির হয়েছিল, যা গত ৩১ মার্চ কমিয়ে ৪২ টাকা করা হয়েছে।

বাংলাদেশে তেলভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও যানবাহন বৃদ্ধির কারণে গত কয়েক বছর ধরে ৫০ লাখ মেট্রিক টনের বেশি জ্বালানি তেলের চাহিদা তৈরি হয়েছে যার মধ্যে প্রায় সবই আমদানি করতে হয়।

বিশ্ব বাজারে গত দেড় বছর ধরে তেলের দরপতন চলার কারণে দেশের বাজারে সব ধরনের জ্বালানির দাম কমানোর দাবি ওঠে।

সাম্প্রতিক সময়ে ব্যবসায়ী শিল্পপতিদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই, বিজিএমইএসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত জ্বালানি তেলের দাম কমানোর পক্ষে মত দেন।

তবে ভর্তুকির লোকসান থেকে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনকে তুলতে দাম অপরিবর্তিত রাখে সরকার।

সরকার সে অবস্থান থেকে সরে এসে ফার্নেস অয়েলের দাম কমানোর পর গত ৪ এপ্রিল জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী ডিজেল-পেট্রোলের দামও কমানোর ইংগিত দেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ